ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ সামরিক হামলায় নিহত হয়েছেন বলে দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম নিশ্চিত করেছে। রাজধানী তেহরানে তার আবাসিক ও প্রশাসনিক কমপ্লেক্সে চালানো বিমান হামলার পর তিনি গুরুতর আহত হন এবং পরে মারা যান।
ইরান সরকার তার মৃত্যুর পর দেশজুড়ে ৪০ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করেছে। এ সময় জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা হবে এবং সরকারি কার্যক্রম সীমিত রাখা হবে বলে জানানো হয়েছে।
শনিবার সকালে তেহরানের একটি উচ্চ নিরাপত্তা এলাকায় হামলাটি চালানো হয়। হামলার সময় খামেনি দায়িত্বসংক্রান্ত কাজে ব্যস্ত ছিলেন বলে জানা গেছে। হামলায় ভবনের বড় অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যসহ আরও হতাহতের খবর পাওয়া গেছে।
ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ কর্মকর্তারা হামলার বিষয়ে ইঙ্গিতপূর্ণ বক্তব্য দিয়েছেন, তবে বিস্তারিত সামরিক তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। ইরান সরকার ঘটনাটিকে বড় ধরনের আঘাত হিসেবে উল্লেখ করেছে এবং দেশজুড়ে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।
আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি ১৯৮৯ সাল থেকে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। তার মৃত্যুতে দেশটির ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব ও মধ্যপ্রাচ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে নতুন অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।












