“জিংক ধানের ভাত খেলে পুষ্টি ও মেধা উভয়ই মিলে”—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুরে পুষ্টিবিষয়ক সচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (তারিখ উল্লেখ করতে চাইলে এখানে বসবে) হরিপুর উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন হরিপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা চন্দন কর। এতে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শাহিনুর ইসলাম।
সভায় জিংক ও আয়োডিনের ঘাটতি পূরণ, ভিটামিন ‘এ’-এর অভাবে রাতকানা প্রতিরোধ এবং সুষম ও পুষ্টিকর খাবার গ্রহণের গুরুত্ব নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। পাশাপাশি কৃষকদের পুষ্টিসমৃদ্ধ জিংক ধান চাষে উৎসাহিত করা হয়।
সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন আরডিআরএস বাংলাদেশের কৃষিবিদ ডা. এ কে এম সালাউদ্দীন, হারভেস্টপ্লাস বাংলাদেশের প্রজেক্ট ম্যানেজার শাহিনুল কবির, আরডিআরএস বাংলাদেশের কৃষি কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল বাকী, ওয়ার্ল্ড ভিশনের রুমা বেগম, বিভিন্ন বিদ্যালয়ের শিক্ষক, কৃষক-কৃষাণী, উপজেলার বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা এবং স্থানীয় সাংবাদিকরা।

সভায় বক্তারা বলেন, শিশু থেকে শুরু করে সব বয়সী মানুষের সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে সুষম ও পুষ্টিকর খাবার গ্রহণের কোনো বিকল্প নেই। জিংক ও আয়োডিনের ঘাটতি শরীরে বিভিন্ন ধরনের স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করতে পারে। অন্যদিকে, ভিটামিন ‘এ’-এর ঘাটতির কারণে রাতকানা রোগের ঝুঁকি বাড়তে পারে।
বক্তারা আরও বলেন, পুষ্টির ঘাটতি মোকাবিলায় জনসচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি কৃষিতে পুষ্টিসমৃদ্ধ ফসলের উৎপাদন বাড়াতে হবে। এ জন্য কৃষকদের জিংকসমৃদ্ধ ধান চাষে উৎসাহিত করা হচ্ছে। জিংক ধানের উৎপাদন বৃদ্ধি এবং খাদ্যতালিকায় তা অন্তর্ভুক্ত করার মাধ্যমে পরিবারের পুষ্টির চাহিদা পূরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা সম্ভব।
সভা শেষে পুষ্টিবিষয়ক জনসচেতনতা বৃদ্ধি, জিংক ও আয়োডিনের ঘাটতি মোকাবিলা এবং পুষ্টিসমৃদ্ধ জিংক ধানের চাষ সম্প্রসারণে সংশ্লিষ্ট সবাইকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানানো হয়।




















