মো জহুরুল ইসলাম (জীবন) হরিপুর(ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধিঃ ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুরে ইএসডিও রিভাইভ প্রকল্পের মানবাধিকার কর্মী ও যুবকদের জন্য দুই দিন ব্যাপী মানবাধিকার বিষয়ক প্রশিক্ষনের সমাপনী অনুষ্ঠিত হয়েছে। উক্ত সমাপনী অনুষ্ঠানে মানবাধিকার বিষয়ে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার এ কে এম শরিফুল হক। আরো বক্তব্য রাখেন রিভাইভ প্রকল্পের উপজেলা অফিসার মামুন মাসুদ করিম, হরিপুর প্রেসক্লাবে সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রশিদ সাংগঠনিক সম্পাদক আবু সালে মুসা, সাংবাদিক জহুরুল ইসলাম (জীবন), সুজন প্রমুখ। উল্লেখ্য যে ইএসডিও‘র বাস্তবায়নে ও হেকস্-ইপার এর সহযোগিতায় গত সোমবার ১০ টায় উপজেলা পরিষদের হলরুমে প্রশিক্ষনের উদ্ধোধন করেন রিভাইভ প্রকল্পের প্রজেক্ট অফিসার রুবি আক্তার
হরিপুরে ইএসডিও‘র রিভাইভ প্রকল্পের দুই দিন ব্যাপী প্রশিক্ষণ উদ্ধোধন
মো জহুরুল ইসলাম (জীবন) হরিপুর (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধিঃ ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুরে ইএসডিও রিভাইভ প্রকল্পের মানবাধিকার কর্মী ও যুবকদের জন্য দুই দিন ব্যাপী মানবাধিকার বিষয়ক প্রশিক্ষনের উদ্ধাধন করা হয়েছে। ইএসডিও‘র বাস্তবায়নে ও হকস্-ইপার এর সহযোগিতায় গতকাল সোমবার সকাল ১০ টায় উপজেলা পরিষদের হলরুমে প্রশিক্ষনের উদ্ধোধন করেন রিভাইভ প্রকল্পর প্রজেক্ট অফিসার রুবি আক্তার,এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন হরিপুর উপজেলা প্রকল্প অফিসার মামুন মাসুদ করিম, প্রশিক্ষনার্থী ২৭জন মানবাধিকার কর্মী অংশ গ্রহন করেন, এবং মানবাধিকারh কর্মী দের ভিডিও প্রজেক্টের মাধ্যমে মানবাধিকারের ৩০ টি ধারা সুন্দর ভাবে উপস্থাপন করে দেখনো হয় ও মানবাধিকার সম্পর্কে আলোচনা করা হয়।
ঈদে সুরেশ সরিষার তেলের দুই বিজ্ঞাপনচিত্র
কুশলী বিজ্ঞাপনচিত্র নির্মাতা বাপি সাহা আর সুরেশ সরিষার তেল যেনো একই মুদ্রার এপিঠ – ওপিঠ হয়ে ওঠেছে। দেশের বহুল প্রচলিত ও ভোক্তাপ্রিয় পণ্য সুরেশ সরিষার তেলের বিজ্ঞাপনচিত্র মানেই যেনো বাপি সাহা। তিনি সুরেশ সরিষার তেলের একসঙ্গে দুটি বিজ্ঞাপনচিত্র নির্মাণ করেছেন সম্প্রতি। আসন্ন কোরবানি ঈদ উপলক্ষ্যে সবগুলো টেলিভিশন চ্যানেলে বিজ্ঞাপনচিত্র দুটি প্রচার হবে বলে জানান বাপি সাহা।
বাংলাদেশ ও কলকাতার অনেক তারকাকে নিয়ে বিজ্ঞাপনচিত্র বানানো কুশলী নির্মাতা বাপি সাহা জানান, বরাবরের মতো এবারও তার নিজস্ব প্রোডাকশন হাউজ ও বিজ্ঞাপনী সংস্থা এনজয় অ্যাড মিডিয়ার ব্যানারে সুরেশ সরিষার তেলের নতুন বিজ্ঞাপনচিত্র দুটি নির্মাণ করা হয়েছে। এতে মডেল হয়েছেন উঠতি দুই সুন্দরী মডেল অভিনেত্রী রাজ রিপা, সোনিয়া রিফাত, জয় চৌধুরী এবং জনপ্রিয় অভিনেতা আফজাল শরীফ, নজরুল ও ম ফারুক।
বিজ্ঞাপনচিত্র দুটির শুটিং হয়েছে নরসিংদীতে বাপি সাহা’র নিজস্ব বাসভবনে। এটির চিত্রগ্রহণ করেছেন হীরা আজাদ। স্থির চিত্রগ্রাহক শিশির জাহাঙ্গীর। রূপসজ্জা করেছেন মালেক ফয়সাল। প্রধান সহকারী পরিচালক শিবু দাস। বিজ্ঞাপনচিত্র দুটির মধ্যে একটির থিম হলো – কোরবানির মাংস রান্নার ওপর। এই বিজ্ঞাপনচিত্রটির মাধ্যমে প্রথমবার বাপি সাহা’র সঙ্গে কাজ করলেন রাজ রিপা ও সোনিয়া রিফাত। এই দুই সুন্দরী গ্ল্যামার গার্ল এর সঙ্গে আছেন জয় চৌধুরী।
অন্য বিজ্ঞাপনচিত্রটির থিম – আলু ভর্তা ও মুড়ি মাখার। এতে মডেল হয়েছেন আফজাল শরীফ, নজরুল ও ম ফারুক। সুরেশ সরিষার তেলের বিজ্ঞাপনচিত্র দুটি নিয়ে বাপি সাহা বলেন, ড্রামা বেইজড দারুন বিজ্ঞাপনচিত্র হয়েছে। সব মডেলই খুবই ভালো পারফর্ম করেছেন এতে।
রাজ রিপা বলেন, বাপিদা খুবই কুশলী একজন নির্মাতা। প্রথমবার তার নির্দেশনায় দারুন একটি বিজ্ঞাপনচিত্রে কাজ করলাম। অনেক ভালো লেগেছে দাদার সঙ্গে কাজ করে।
আর সোনিয়া রিফাত বলেন, বাপিদা অসম্ভব একজন ভালো নির্মাতা। প্রথমবার তার সঙ্গে কাজ হলো। তবে কাজটা অনেক ভালো হয়েছে। জয় চৌধুরী বলেন, আশা করছি, এটি দর্শকদের নজর কাড়তে সক্ষম হবে।
জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী সেবা দিতে মাঠ পর্যায়ের পুলিশ কর্মকর্তাদের নির্দেশ দিয়েছেন আইজিপি
ইন্সপেক্টর জেনারেল অব পুলিশ, বাংলাদেশ চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন বিপিএম (বার), পিপিএম জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী সেবা দেয়ার জন্য স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতের সাথে দায়িত্ব পালন করতে মাঠ পর্যায়ের পুলিশ কর্মকর্তাদের নির্দেশ দিয়েছেন ।
আইজিপি আজ সকালে রাজধানীর রাজারবাগ পুলিশ লাইনসে বাংলাদেশ পুলিশ অডিটরিয়ামে দুই দিনব্যাপী পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স কোয়ার্টারলি কনফারেন্সের শেষ দিনে সভাপতির বক্তব্যে এ নির্দেশ প্রদান করেন।
কনফারেন্সে অতিরিক্ত আইজিপি (প্রশাসন) মোঃ কামরুল আহসান বিপিএম (বার), ডিএমপি কমিশনার খন্দকার গোলাম ফারুক বিপিএম (বার), পিপিএম, র্যাব মহাপরিচালক এম খুরশীদ হোসেন বিপিএম (বার), পিপিএম, স্পেশাল ব্রাঞ্চের অতিরিক্তি আইজিপি মোঃ মনিরুল ইসলাম বিপিএম (বার), পিপিএম (বার)সহ অতিরিক্ত আইজিপিগণ, ঢাকাস্থ পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটের প্রধানগণ, সকল মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার, রেঞ্জ ডিআইজি ও জেলার পুলিশ সুপারগণ উপস্থিত ছিলেন।
স্পেশাল ব্রাঞ্চের অতিরিক্ত আইজিপি মোঃ মনিরুল ইসলাম বিপিএম (বার), পিপিএম (বার), এপিবিএন’র অতিরিক্ত আইজিপি ড. হাসান উল হায়দার বিপিএম, সিআইডির অতিরিক্ত আইজিপি মোহাম্মদ আলী মিয়া বিপিএম, পিপিএম, পিবিআই’র অতিরিক্ত আইজিপি বনজ কুমার মজুমদার বিপিএম (বার), পিপিএম নিজ নিজ দপ্তর এবং পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের ল্যান্ড অ্যান্ড এস্টেট, ফাইনান্স, অডিট অ্যান্ড ইন্সপেকশন, এডমিন ও লজিস্টিকস শাখার সংশ্লিষ্ট ডিআইজিগণ স্ব স্ব শাখার কার্যক্রম তুলে ধরে বক্তব্য রাখেন।
আইজিপি বলেন, আগামীতে আইন-শৃঙ্খলা সংক্রান্ত নানা চ্যালেঞ্জ আসতে পারে। আইনশৃঙ্খলার যেকোনো চ্যালেঞ্জ মোকাবেলার জন্য আমাদেরকে প্রস্তুত থাকতে হবে। দেশকে অস্থিতিশীল করার যেকোন ষড়যন্ত্র রুখে দিতে হবে। তিনি বলেন, এজন্য পুলিশের প্রয়োজনীয় লজিস্টিকস, প্রশিক্ষণ এবং পুলিশ সদস্যদের দৃঢ় মনোবল রয়েছে।
পুলিশ প্রধান বলেন, নির্বাচনের সময় নির্বাচন কমিশনের অধীনে পুলিশ দায়িত্ব পালন করবে। দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় যা যা করা প্রয়োজন পুলিশ তাই করবে। তিনি বলেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটানোর যেকোনো চক্রান্ত নস্যাৎ করে দিতে আমরা প্রস্তুত রয়েছি।
আইজিপি বলেন, গুজব ছড়িয়ে কেউ যেন দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটাতে না পারে সেজন্য ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। পাশাপাশি গুজব রোধে সাইবার মনিটরিং বাড়াতে হবে।
আইজিপি বলেন, ফোর্সের ওয়েলফেয়ার নিশ্চিত করতে হবে। ফোর্সের ওয়েলফেয়ার দেখতে গিয়ে শৃঙ্খলার সাথে আপোষ করা যাবে না। কোন পুলিশ সদস্যের বিচ্যুত আচরণের দায় বাংলাদেশ পুলিশ বহন করবে না উল্লেখ করে তিনি বলেন, কোন পুলিশ সদস্যদের দুর্নীতি, মাদকের সাথে সংশ্লিষ্টতা এবং নৈতিক স্খলনের বিরুদ্ধে আমাদের অবস্থান ‘জিরো টলারেন্স’।
তিনি বাংলাদেশ পুলিশের সম্মান ও মর্যাদা অক্ষুণ্ন রাখাসহ অন্যান্য সার্ভিস ও বাহিনীর সাথে সুসম্পর্ক বজায় রেখে দায়িত্ব পালনের জন্য মাঠ পর্যায়ে পুলিশ কর্মকর্তাদের প্রতি আহবান জানান।
নৌ পুলিশ কর্মকর্তাদের সাথে মতবিনিময় সভায় আইজিপি
ইন্সপেক্টর জেনারেল অব পুলিশ, বাংলাদেশ চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন বিপিএম (বার), পিপিএম বলেছেন, নৌ পুলিশ অল্প সময়ের মধ্যে নৌপথে যাত্রী, নৌযান মালিক এবং সাধারণ মানুষের আস্থা অর্জন করেছে, যা সত্যিই প্রশংসনীয়। তিনি দেশের নৌপথের নিরাপত্তা এবং মৎস্য সম্পদ সংরক্ষণে নৌ পুলিশকে আরো পেশাদারিত্বের সাথে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দিয়েছেন।
তিনি বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী যে প্রত্যাশা নিয়ে নৌ পুলিশ গঠন করেছে সে প্রত্যাশা পূরণে আরো ভালোভাবে কাজ করতে হবে। তিনি বলেন, ভালো কাজের মধ্য দিয়ে নিজেদের ভালো কাজের রেকর্ড ভাঙতে হবে।
আইজিপি আজ সকালে নৌ পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সে নৌ পুলিশের কর্মকর্তাদের সাথে এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এ কথা বলেন।
নৌ পুলিশের অতিরিক্ত আইজিপি মোঃ শফিকুল ইসলাম বিপিএম (বার), পিপিএম এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় নৌ পুলিশের কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া, নৌ পুলিশের ১৪১টি থানা/ফাঁড়ির অফিসার ইনচার্জগণ ভার্চুয়ালি সভায় যুক্ত ছিলেন।
আইজিপি বলেন, জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ‘জিরো টলারেন্স’ নীতিতে সবাই মিলে ঐক্যবদ্ধভাবে দায়িত্ব পালনের ফলে জঙ্গি দমনে আমরা সফল হয়েছি।
তিনি বলেন, পুলিশের প্রতি মানুষের প্রত্যাশা বেড়েছে। তাদের প্রত্যাশা অনুযায়ী সেবা প্রদান করে মানুষের আস্থা অর্জন করতে হবে। পুলিশি সেবা পেতে মানুষ যেন কোন ধরনের হয়রানির শিকার না হয় সেজন্য প্রত্যেক পুলিশ সদস্যকে সচেষ্ট থাকতে হবে।
পুলিশ প্রধান বলেন, সামগ্রিকভাবে পুলিশ ভালো কাজ করছে। অতীতে যেখানে প্রায় ৯০ ভাগ ক্লুলেস মামলার রহস্য উদঘাটিত হতোনা সেখানে বর্তমানে প্রায় ৯৫ ভাগ ক্লুলেস মামলার রহস্য উদঘাটিত হচ্ছে। পুলিশ সদস্যদের আন্তরিকতা, নিষ্ঠা এবং মামলা তদন্তে প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বাড়ায় এটা সম্ভব হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
আইজিপি বলেন, কোন পুলিশ সদস্য মাদক ও দুর্নীতির সাথে সম্পৃক্ত থাকলে তাকে কোন ধরনের ছাড় দেওয়া হবেনা। কোন পুলিশ সদস্যের অপরাধের দায়ভার বাংলাদেশ পুলিশ বহন করবে না।
নৌ পুলিশ প্রধান তাঁর স্বাগত বক্তব্যে নৌ পুলিশের সার্বিক কার্যক্রম সভায় উপস্থাপন করেন। তিনি বলেন, নৌ পুলিশ নৌপথের নিরাপত্তা এবং মৎস্য সম্পদ সংরক্ষণে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে। তিনি বিশেষায়িত এ ইউনিটের কার্যক্রম আরো অনন্য মাত্রায় উন্নীত করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
নৌ পুলিশের কর্মকর্তাগণ অপারেশনাল কার্যক্রম সংক্রান্ত বিভিন্ন প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে আইজিপিকে অবহিত করেন। আইজিপি তাদের বক্তব্য শোনেন এবং সম্ভাব্য সমাধানের আশ্বাস প্রদান করেন।
আইজিপি নৌ পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সে স্থাপিত ‘বঙ্গবন্ধু কর্নার’ ঘুরে দেখেন। তিনি নৌ পুলিশ কন্ট্রোল রুমের কার্যক্রম পরিদর্শন এবং প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।
নদী আমাদের মা: নৌ নিরাপত্তা দিবস ২০২৩
নৌ পরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, নদী তীরের দখল প্রতিরোধে ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। এ ক্ষেত্রে কোন কমপ্রোমাইজ করা হয়নি। নদী রক্ষায় আমাদের আরো বেশি সোচ্চার হতে হবে।
আজ মঙ্গলবার জাতীয় প্রেসক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী মিলনায়তনে নদী, প্রাণ-প্রকৃতি ও সমুদ্র সম্পদ ভিত্তিক সংগঠন ‘নোঙর ট্রাস্ট’ আয়োজিত ‘নদী আমাদের মা’ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।
‘নোঙর ট্রাস্ট’ এর চেয়ারম্যান সুমন শামস এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) চেয়ারম্যান কমডোর আরিফ আহমেদ মোস্তফা, নদী গবেষক বীর মুক্তিযোদ্ধা তোফায়েল আহমেদ, মেরিন হাইস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক নৌস্থপতি মো: শামসুল আলম, বাংলাদেশ পরিবেশ বাঁচাও আন্দোলন (বাপা) এর যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মিহির বিশ্বাস এবং রিভারাইন পিপল এর মহাসচিব শেখ রোকন।
খালিদ মাহমুদ চৌধুরী আরো বলেন, ২০০৪ সালের ২৩ মে লঞ্চডুবির ঘটনাটি দুর্ঘটনা, এটি ঠিক নয়; এটি অবহেলা। নৌদুর্ঘটনা কমিয়ে আনতে নৌনিরাপত্তা সপ্তাহ পালন করা হচ্ছে। মুক্তিযুদ্ধে নদীমাতৃক বাংলাদেশের নদীগুলোর অবদান রয়েছে। মুক্তিযুদ্ধে নদীর অবদানকে নিয়ে কোন চলচ্চিত্র, নাটক তৈরি হয়নি। নদীকে নিয়ে অবহেলা করা হয়েছে। স্বাধীন বাংলাদেশে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ফিরে এসে বলেছিলেন ‘নদীর নাব্যতা কমে গেছে, এর প্রবাহ ধরে রাখতে হবে। নদীর নাব্যতা ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে বঙ্গবন্ধু তাঁর সাড়ে তিন বছরের শাসনামলে সাতটি ড্রেজার সংগ্রহ করেছিলেন। সেই সাতটি ড্রেজার থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত বিআইডব্লিউটিএ’র ডেজার বহরে আটটি ড্রেজার হয়নি। এটাই বাস্তবতা। ’৭৫ সালে বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করার পর নদীর দখল ও দূষণ নিয়ে ভাবা হয়নি।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যার চেষ্টা করেছে। স্বাধীনতা বিরোধী চক্র ক্ষমতায় থেকে বাংলার মানুষের প্রতি অবহেলা করেছে। বাংলার মানুষের ওপর রোলার চালিয়ে অর্থ উপার্জনের চেষ্টা করেছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ নির্বাচনী ইশতেহারে ১০ হাজার কিলোমিটার নৌপথ তৈরির ঘোষণা দিয়েছে। এলক্ষ্যে ৩৮টি ড্রেজার সংগ্রহ করেছে আরো ৩৫টি ড্রেজার সংগ্রহের কাজ চলমান রয়েছে। এর আগে কোন রাজনৈতিক দল দেশের নৌপথ তৈরির কথা ভাবেনি। সরকার ১০ হাজার কিলোমিটার নৌপথ তৈরির কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১৯৯৬ সালে ঢাকার চারপাশের নৌপথ উন্নয়নের কথা বলেছিলেন। সেই নৌপথ রক্ষা করতে পারিনি। ঢাকার চারপাশের নদীর ওপর নেভিগেশনাল ছাড়পত্র ছাড়া ১৪টি লো-হাইটের ব্রীজ নির্মাণ করা হয়েছে। ‘বিআইডব্লিউটিএ’র অনুমোদন ছাড়া নৌপথে নদীর ওপর ব্রীজ নির্মাণ করা যাবেনা।’ আওয়ামী লীগ, শেখ হাসিনা এবং নৌকা ‘নদী ও নৌপথ’ নিয়ে ভেবেছে।
খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেন, শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে। আগামি অক্টোবর-নভেম্বরে একটি ক্রুজ ভেসেল সংগ্রহ করতে যাচ্ছি যা দিয়ে বিদেশি পর্যটকদের সেবা দেয়া যাবে।
বাংলাদেশের নেভাল আর্কিটেক্টদের নির্মিত জাহাজ বিদেশে যাচ্ছে। নেভাল আর্কিটেক্টদের কর্মক্ষেত্র তৈরি করা হচ্ছে। নৌসেক্টরের মাধ্যমে যাতে বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার দেশের বাইরে যেতে না পারে সে পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে। বিদেশি জাহাজ মনিটরিং ও দিক নির্দেশনার জন্য আটটি লাইটহাউজ (বাতিঘর) নির্মাণ করা হচ্ছে। জাহাজের গতিবিধি পর্যবেক্ষণের জন্য চট্টগ্রাম ও মোংলা বন্দরে ভেসেল ট্রাফিক ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (ভিটিএমএস) চালু করা হয়েছে।
তিনি বলেন, নদী তীরে ওয়াকওয়ে (হাটারপথ) তৈরি করা হয়েছে। সেখানে প্রতিদিন হাজার হাজর মানুষ হাটতে পারছে। আমাদের অনেক চ্যালেঞ্জ আছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলার মানুষের জন্য চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করেছেন। বঙ্গবন্ধুর স্মৃতিঘেরা বাংলাদেশের নদীগুলো আমাদের মায়ের মতো। নদীমাতৃক বাংলাদেশকে রক্ষা করতে হবে। নদীগুলো মানুষের রক্তের শিরার মতো। শিরাতে রক্ত প্রবাহ বন্ধ হয়ে গেলে মানুষ মারা যায়। তেমনি নদীগুলোর প্রবাহ বন্ধ হয়ে গেলে বাংলাদেশও থেমে যাবে। তাই সবাইকে নদী রক্ষায় এগিয়ে আসতে হবে।
উল্লেখ্য, ২০০৪ সালের ২৩ মে চাঁদপুরের মেঘনায় ‘এমভি লাইটং সান’ নামের লঞ্চ ডুবির ঘটনায় ২০০৫ সাল থেকে নোঙর ট্রাস্ট ২৩ মে-কে জাতীয় নৌ-নিরাপত্তা দিবস ঘোষণার দাবিতে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করে আসছে।নৌ পরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, নদী তীরের দখল প্রতিরোধে ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। এ ক্ষেত্রে কোন কমপ্রোমাইজ করা হয়নি। নদী রক্ষায় আমাদের আরো বেশি সোচ্চার হতে হবে।
আজ মঙ্গলবার জাতীয় প্রেসক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী মিলনায়তনে নদী, প্রাণ-প্রকৃতি ও সমুদ্র সম্পদ ভিত্তিক সংগঠন ‘নোঙর ট্রাস্ট’ আয়োজিত ‘নদী আমাদের মা’ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।
‘নোঙর ট্রাস্ট’ এর চেয়ারম্যান সুমন শামস এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) চেয়ারম্যান কমডোর আরিফ আহমেদ মোস্তফা, নদী গবেষক বীর মুক্তিযোদ্ধা তোফায়েল আহমেদ, মেরিন হাইস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক নৌস্থপতি মো: শামসুল আলম, বাংলাদেশ পরিবেশ বাঁচাও আন্দোলন (বাপা) এর যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মিহির বিশ্বাস এবং রিভারাইন পিপল এর মহাসচিব শেখ রোকন।
খালিদ মাহমুদ চৌধুরী আরো বলেন, ২০০৪ সালের ২৩ মে লঞ্চডুবির ঘটনাটি দুর্ঘটনা, এটি ঠিক নয়; এটি অবহেলা। নৌদুর্ঘটনা কমিয়ে আনতে নৌনিরাপত্তা সপ্তাহ পালন করা হচ্ছে। মুক্তিযুদ্ধে নদীমাতৃক বাংলাদেশের নদীগুলোর অবদান রয়েছে। মুক্তিযুদ্ধে নদীর অবদানকে নিয়ে কোন চলচ্চিত্র, নাটক তৈরি হয়নি। নদীকে নিয়ে অবহেলা করা হয়েছে। স্বাধীন বাংলাদেশে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ফিরে এসে বলেছিলেন ‘নদীর নাব্যতা কমে গেছে, এর প্রবাহ ধরে রাখতে হবে।
নদীর নাব্যতা ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে বঙ্গবন্ধু তাঁর সাড়ে তিন বছরের শাসনামলে সাতটি ড্রেজার সংগ্রহ করেছিলেন। সেই সাতটি ড্রেজার থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত বিআইডব্লিউটিএ’র ডেজার বহরে আটটি ড্রেজার হয়নি। এটাই বাস্তবতা। ’৭৫ সালে বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করার পর নদীর দখল ও দূষণ নিয়ে ভাবা হয়নি।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যার চেষ্টা করেছে। স্বাধীনতা বিরোধী চক্র ক্ষমতায় থেকে বাংলার মানুষের প্রতি অবহেলা করেছে। বাংলার মানুষের ওপর রোলার চালিয়ে অর্থ উপার্জনের চেষ্টা করেছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ নির্বাচনী ইশতেহারে ১০ হাজার কিলোমিটার নৌপথ তৈরির ঘোষণা দিয়েছে। এলক্ষ্যে ৩৮টি ড্রেজার সংগ্রহ করেছে আরো ৩৫টি ড্রেজার সংগ্রহের কাজ চলমান রয়েছে। এর আগে কোন রাজনৈতিক দল দেশের নৌপথ তৈরির কথা ভাবেনি। সরকার ১০ হাজার কিলোমিটার নৌপথ তৈরির কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১৯৯৬ সালে ঢাকার চারপাশের নৌপথ উন্নয়নের কথা বলেছিলেন। সেই নৌপথ রক্ষা করতে পারিনি। ঢাকার চারপাশের নদীর ওপর নেভিগেশনাল ছাড়পত্র ছাড়া ১৪টি লো-হাইটের ব্রীজ নির্মাণ করা হয়েছে। ‘বিআইডব্লিউটিএ’র অনুমোদন ছাড়া নৌপথে নদীর ওপর ব্রীজ নির্মাণ করা যাবেনা।’ আওয়ামী লীগ, শেখ হাসিনা এবং নৌকা ‘নদী ও নৌপথ’ নিয়ে ভেবেছে।
খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেন, শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে। আগামি অক্টোবর-নভেম্বরে একটি ক্রুজ ভেসেল সংগ্রহ করতে যাচ্ছি যা দিয়ে বিদেশি পর্যটকদের সেবা দেয়া যাবে।
বাংলাদেশের নেভাল আর্কিটেক্টদের নির্মিত জাহাজ বিদেশে যাচ্ছে। নেভাল আর্কিটেক্টদের কর্মক্ষেত্র তৈরি করা হচ্ছে। নৌসেক্টরের মাধ্যমে যাতে বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার দেশের বাইরে যেতে না পারে সে পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে। বিদেশি জাহাজ মনিটরিং ও দিক নির্দেশনার জন্য আটটি লাইটহাউজ (বাতিঘর) নির্মাণ করা হচ্ছে। জাহাজের গতিবিধি পর্যবেক্ষণের জন্য চট্টগ্রাম ও মোংলা বন্দরে ভেসেল ট্রাফিক ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (ভিটিএমএস) চালু করা হয়েছে।
তিনি বলেন, নদী তীরে ওয়াকওয়ে (হাটারপথ) তৈরি করা হয়েছে। সেখানে প্রতিদিন হাজার হাজর মানুষ হাটতে পারছে। আমাদের অনেক চ্যালেঞ্জ আছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলার মানুষের জন্য চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করেছেন। বঙ্গবন্ধুর স্মৃতিঘেরা বাংলাদেশের নদীগুলো আমাদের মায়ের মতো। নদীমাতৃক বাংলাদেশকে রক্ষা করতে হবে। নদীগুলো মানুষের রক্তের শিরার মতো। শিরাতে রক্ত প্রবাহ বন্ধ হয়ে গেলে মানুষ মারা যায়। তেমনি নদীগুলোর প্রবাহ বন্ধ হয়ে গেলে বাংলাদেশও থেমে যাবে। তাই সবাইকে নদী রক্ষায় এগিয়ে আসতে হবে।
উল্লেখ্য, ২০০৪ সালের ২৩ মে চাঁদপুরের মেঘনায় ‘এমভি লাইটং সান’ নামের লঞ্চ ডুবির ঘটনায় ২০০৫ সাল থেকে নোঙর ট্রাস্ট ২৩ মে-কে জাতীয় নৌ-নিরাপত্তা দিবস ঘোষণার দাবিতে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করে আসছে।
হরিপুরে ইউনিয়ন চেয়ারম্যানের মৃত্যু
ঠাকুরগায়ের হরিপুরে ২ নং আমগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পাভেল তালুকদার ৩২ বুধবার দিবাগত রাত একটার সময় ঢাকা স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছে ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন । তার লাশ গতকাল বৃহস্পতিবার বিকাল সাড়ে পাঁচটায় নন্দ গাও ঈদগাঁমাঠে জানাজা শেষে পারিবারিক গোরস্থানে দাফন সম্পন্ন করা হয় । মৃত কালে তিনি এক স্ত্রী এক কন্যা সহ অসংখ্য গুণাগ্রহী আগ্রহী , আত্মীয়-স্বজন, রেখে গেছেন । তার জানা যায় উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও আ,লীগ সভাপতি জিয়াউল হাসান মুকুল, উপজেলা নির্বাহী অফিসার একেএম শরিফুল হক, জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মাজহারুল ইসলাম সুজন, হরিপুর আ,লীগের সাধারণ সম্পাদক আলমগীর , সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম ও ও অধ্যক্ষ একেএম শামীম ফেরদৌস নগর, বিএনপির সভাপতি অধ্যাপক করিমুল হক ইউনিয়ন চেয়ারম্যান গণ সহ সর্বস্তরের জনসাধারণ ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ অংশগ্রহণ করে শোকাহত পরিবারের প্রতি সমবেদন জ্ঞাপন করেছে।
মো : জহরুল ইসলাম (জীবন), হরিপুর ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধ
হরিপুর কাঠালডাঙ্গীতে ঝুঁকিপূর্ণ ব্রিজেই ১০ গ্রামের মানুষের একমাত্র ভরসা
জহরুল ইসলাম (জীবন) হরিপুর (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধিঃ ঠাকুরগাঁয়ের হরিপুর উপজেলার ৬নং ভাতুরিয়া ইউনিয়নের কাঠালডাঙ্গী নাড়িয়া চোকা খালের উপর ৩৮ বছর পূর্ব নির্মিত ব্রিজটি অবস্থা নর-বড় হয়ে বর্তমান ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। ওই ঝুঁকিপূর্ণ ব্রীজটির উপর দিয়ে যানবাহন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সহ ১০ গ্রামের লক্ষাধিক মানুষের যাতায়াত করছে। এত জন দূভোগ ভুগছে মানুষ এবং যে কোন সময় ঘটতে পারে বড় ধরনের দুর্ঘটনা। বর্ষা নামার আগেই ওই স্থানে নতুন ব্রীজ নির্মানের দাবি করেছেন এলাকা বাসি। হরিপুর উপজেলা থেকে প্রায় ১২ কিঃমিঃ দূর চোরঙ্গী চৌরাস্তা থেকে -কাঠালডাঙ্গী গামী পাকা সড়ক মহিলা কলেজের সামনে ১৯৮৫ সাল নাড়িয়া চোকা খালের উপর নিমির্ত হয় ব্রীজটি। এটি নাড়িয়া চোকা ব্রীজ নাম পরিচিত। স্থানীয়রা জানায়, এই ব্রিজের উপর দিয়ে কাঠালডাঙ্গী মহিলা কলেজ, আর-এ কাঠালডাঙ্গী উচ্চ বিদ্যালয়, বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, আসলেউদ্দিন মাদরাসা, সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় এতিমখানা এ সকল প্রতিষ্ঠানর ছাত্র-ছাত্রীরা যাতায়াত করে। এখান একটি ইউনিয়ন স্বাস্থ্য, ইউনিয়ন ভূমি অফিস ও ইউনিয়ন পরিষদ এবং উপজেলার ২য় বৃহত্তর কাঠালডাঙ্গী হাট রয়েছে। এ ছাড়াও বহতি, মাগুড়া, মুলকান, শিশুডাঙ্গী, মহদ্রগাঁও, জিগাঁও, পাটনপাড়া, যাদবপুর গোপালপুর এই ১০ টি গ্রামের মানুষের একমাত্র পথ চলাচলের ভরসা। বর্ষার সময় খালের পানির প্রবাহর স্রোত বেশি হওয়ার কারনে ব্রীজের দুই পাশের মাটি সরে গিয়ে ব্রীজটি নর-বড় হয়ে পরছে । ওই অবস্থায় দীর্ঘ দিন ধরে মানুষ ও বিভিন যানবাহন জীবন ঝুঁকি নিয়ে দিন-রাত কোনো মত চলাচল করছে । ইতি মধ্যই এখানে কয়েকটি দূর্ঘটনাও ঘটেছ। বর্ষা মৌসুমে আসার আগেই এখান একটি নতুন ব্রীজর জরুরী প্রয়োজন। না হলে পুরা ব্রীজটি ধসে পড়লে ১০টি গ্রামের মানুষ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ব্যবসা বাণিজ্য, হাট-বাজার, জরুরী চিকিৎসা নিয়ে মহা বিপদের মধ্যে রয়েছে। কারণ এই রাস্তাটি ছাড়া উপজেলা সদরের সাথে যোগাযোগের আর কোন বিকল্প রাস্তা নাই। ইউনিয়ন চেয়ারম্যান শাহজাহান সরকার বলেন এই ঝুঁকি পূণ্য ব্রীজটির বিষয় সংশ্লিষ্ঠ দপ্তরক জানানো হয়েছে। উপজেলা প্রকৌশলী মাইনুল ইসলাম বলেন, জরুরী ভিত্তিতে এই জনবহুল এলাকার ব্রীজটি দ্রুত নির্মাণের জন্য সংশ্লিষ্ঠ দপ্তরকে জানানো হয়েছে অর্থ বরাদ্দ পেলেই অগ্রাধিকার ভিত্তিতে এই ব্রীজর কাজ করা হবে ।
হরিপুর চরভিটা স্কুল পরিদর্শন করলেন শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক
মো জহুরুল ইসলাম (জীবন) হরিপুর(ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধি:ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুর জাতীয় ভাবে শ্রেষ্ঠ হওয়া চরভিটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি পরিদর্শন করলেন শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শাহ রেজওয়ান হায়াত ও অর্থ পরিচালক মিজানুল হক । গতকাল রবিবার ঠাকুরগাঁও জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার বাজেট প্রাপ্ত এবং বাস্তবায়ন বিষয়ক প্রশিক্ষনের প্রধান অতিথি তিনি দুপুর ১২টায় উক্ত স্কুলটি পরিদর্শনে আসেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার খন্দকার মুনছুর রহমান, হরিপুর উপজেলাপরিষদ চেয়ারম্যান ও আ“লীগ সভাপতি জিয়াউল হাসান , উপজেলা নির্বাহী অফিসার এ কে এম শরিফুল হক, উপজেলা প্রকৌশলী মাইনুল ইসলাম,বাংলাদেশ সহকারী শিক্ষা অফিসার সমিতির সভাপতি সহকারী শিক্ষা অফিসার এসএম রবিউল ইসলাম,ভারপ্রাপ্ত প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার জাহিদ ইবনে সুলতান, চেয়ারম্যান আবু তাহের প্রমুখ। এ সময় তিনি স্কুলটির পরিবেশ ও ছাত্র-ছাত্রীর উপস্থিত দেখে মুগ্ধহোন এবং প্রধান শিক্ষক এরফান আলীকে ধন্যবাদ জানান। এবং জেলা শিক্ষা অফিসারকে অতিতাড়ি স্কুলে আরো একজন শিক্ষক দেওয়ার নির্দেশ দেন।
কুষ্টিয়া জেলায় চলছে পদমর্যাদাভিত্তিক দক্ষতা উন্নয়ন কোর্সর ১০ম ব্যাচ
কুষ্টিয়ায় পুলিশ সদস্যের পদমর্যাদা ভিত্তিক দক্ষতা উন্নয়ন কোর্সর আওতাভুক্ত নায়েক ও কনস্টেবলদের “দক্ষতা উন্নয়ন কোর্স-১০ম ব্যাচের” উদ্বোধনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (০৬ মে) ২০২৩ কুষ্টিয়া জেলা পুলিশের আয়োজনে পুলিশ লাইন্স, সম্মেলন কক্ষে এ প্রশিক্ষণ কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনাব মোঃ খাইরুল আলম, সুযোগ্য পুলিশ সুপার, কুষ্টিয়া।
বাংলাদেশ পুলিশের ইন্সপেক্টর জেনারেল (আইজিপি) মহোদয়ের সার্বিক তত্ত্বাবধানে বাংলাদেশ পুলিশের সর্বমোট ১০৫টি ভেন্যুতে সকল পদমর্যাদার সদস্যদের নিয়ে অদ্য ০৬ মে, ২০২৩ তারিখ ১০ম ব্যাচের ০৬ দিন ব্যাপি পদমর্যাদাভিত্তিক প্রশিক্ষণ কর্মসূচির শুরু হয়েছে। তারই ধারাবাহিকতায় কর্মসূচির অংশ হিসাবে কুষ্টিয়া জেলায় প্রশিক্ষণ কর্মসূচি শুরু হয়েছে। প্রতিদিনের ধারাবাহিক প্রশিক্ষণের অংশ হিসাবে সকাল ৬ টার দিকে পিটির (শক্তি বর্ধক ব্যায়াম) মধ্য দিয়ে দিনের কর্মসূচি শুরু হয়।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে কুষ্টিয়া জেলা পুলিশ সুপার জনাব মোঃ খাইরুল আলম বলেন, ‘জীবনের প্রয়োজনে প্রতিটি মানুষের পেশাগত কাজের উন্নয়েনের জন্য একাডেমিক শিক্ষার পাশাপাশি প্রশিক্ষণ গ্রহণের প্রয়োজন হয়’। প্রশিক্ষণ মানুষকে যোগ্য করে তোলে। প্রশিক্ষণ হচ্ছে এমন একটি পরিকল্পিত কার্যক্রম যেখানে একদল মানুষকে একটি নির্দিষ্ট বিষয়ের উপর দক্ষতা বৃদ্ধি করা হয়। প্রশিক্ষণের মাধ্যমে ব্যক্তির কাজের উপর জ্ঞান ও দৃষ্টিভঙ্গীর পরিবর্তন ঘটে। প্রশিক্ষণ গ্রহনের মাধ্যমে একটি নির্দিষ্ট কাজের উপর যোগ্যতা অর্জন ও দক্ষ হওয়া যায়। এসময় আরও বক্তব্য রাখেন জনাব ড. এস এম ফরহাদ হোসেন, কমান্ড্যান্ট (পুলিশ সুপার), ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টার, কুষ্টিয়া মহোদয়।
উক্ত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জনাব মোঃ আবু রাসেল ,অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, সদর সার্কেল, কুষ্টিয়া, জনাব মোঃ হাফিজুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টার, কুষ্টিয়া, আরওআই,আরআই, কুষ্টিয়াসহ ইন্সপেক্টর পদমর্যাদার প্রশিক্ষকগণ এবং নায়েক ও কনস্টেবল পদমর্যাদার প্রশিক্ষনার্থীবৃন্দ।
কুষ্টিয়ায় পুলিশ সদস্যের পদমর্যাদা ভিত্তিক দক্ষতা উন্নয়ন কোর্সর আওতাভুক্ত নায়েক ও কনস্টেবলদের “দক্ষতা উন্নয়ন কোর্স-১০ম ব্যাচের” উদ্বোধনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (০৬ মে) ২০২৩ কুষ্টিয়া জেলা পুলিশের আয়োজনে পুলিশ লাইন্স, সম্মেলন কক্ষে এ প্রশিক্ষণ কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনাব মোঃ খাইরুল আলম, সুযোগ্য পুলিশ সুপার, কুষ্টিয়া।
বাংলাদেশ পুলিশের ইন্সপেক্টর জেনারেল (আইজিপি) মহোদয়ের সার্বিক তত্ত্বাবধানে বাংলাদেশ পুলিশের সর্বমোট ১০৫টি ভেন্যুতে সকল পদমর্যাদার সদস্যদের নিয়ে অদ্য ০৬ মে, ২০২৩ তারিখ ১০ম ব্যাচের ০৬ দিন ব্যাপি পদমর্যাদাভিত্তিক প্রশিক্ষণ কর্মসূচির শুরু হয়েছে। তারই ধারাবাহিকতায় কর্মসূচির অংশ হিসাবে কুষ্টিয়া জেলায় প্রশিক্ষণ কর্মসূচি শুরু হয়েছে। প্রতিদিনের ধারাবাহিক প্রশিক্ষণের অংশ হিসাবে সকাল ৬ টার দিকে পিটির (শক্তি বর্ধক ব্যায়াম) মধ্য দিয়ে দিনের কর্মসূচি শুরু হয়।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে কুষ্টিয়া জেলা পুলিশ সুপার জনাব মোঃ খাইরুল আলম বলেন, ‘জীবনের প্রয়োজনে প্রতিটি মানুষের পেশাগত কাজের উন্নয়েনের জন্য একাডেমিক শিক্ষার পাশাপাশি প্রশিক্ষণ গ্রহণের প্রয়োজন হয়’। প্রশিক্ষণ মানুষকে যোগ্য করে তোলে। প্রশিক্ষণ হচ্ছে এমন একটি পরিকল্পিত কার্যক্রম যেখানে একদল মানুষকে একটি নির্দিষ্ট বিষয়ের উপর দক্ষতা বৃদ্ধি করা হয়। প্রশিক্ষণের মাধ্যমে ব্যক্তির কাজের উপর জ্ঞান ও দৃষ্টিভঙ্গীর পরিবর্তন ঘটে। প্রশিক্ষণ গ্রহনের মাধ্যমে একটি নির্দিষ্ট কাজের উপর যোগ্যতা অর্জন ও দক্ষ হওয়া যায়। এসময় আরও বক্তব্য রাখেন জনাব ড. এস এম ফরহাদ হোসেন, কমান্ড্যান্ট (পুলিশ সুপার), ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টার, কুষ্টিয়া মহোদয়।
উক্ত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জনাব মোঃ আবু রাসেল ,অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, সদর সার্কেল, কুষ্টিয়া, জনাব মোঃ হাফিজুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টার, কুষ্টিয়া, আরওআই,আরআই, কুষ্টিয়াসহ ইন্সপেক্টর পদমর্যাদার প্রশিক্ষকগণ এবং নায়েক ও কনস্টেবল পদমর্যাদার প্রশিক্ষনার্থীবৃন্দ।

















