হোম প্রচ্ছদ পৃষ্ঠা 22

নদী আমাদের মা: নৌ নিরাপত্তা দিবস ২০২৩

নদী আমাদের মা নৌ নিরাপত্তা দিবস ২০২৩

নৌ পরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, নদী তীরের দখল প্রতিরোধে ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। এ ক্ষেত্রে কোন কমপ্রোমাইজ করা হয়নি। নদী রক্ষায় আমাদের আরো বেশি সোচ্চার হতে হবে।

আজ মঙ্গলবার জাতীয় প্রেসক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী মিলনায়তনে নদী, প্রাণ-প্রকৃতি ও সমুদ্র সম্পদ ভিত্তিক সংগঠন ‘নোঙর ট্রাস্ট’ আয়োজিত ‘নদী আমাদের মা’ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।

‘নোঙর ট্রাস্ট’ এর চেয়ারম্যান সুমন শামস এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) চেয়ারম্যান কমডোর আরিফ আহমেদ মোস্তফা, নদী গবেষক বীর মুক্তিযোদ্ধা তোফায়েল আহমেদ, মেরিন হাইস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক নৌস্থপতি মো: শামসুল আলম, বাংলাদেশ পরিবেশ বাঁচাও আন্দোলন (বাপা) এর যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মিহির বিশ্বাস এবং রিভারাইন পিপল এর মহাসচিব শেখ রোকন।

খালিদ মাহমুদ চৌধুরী আরো বলেন, ২০০৪ সালের ২৩ মে লঞ্চডুবির ঘটনাটি দুর্ঘটনা, এটি ঠিক নয়; এটি অবহেলা। নৌদুর্ঘটনা কমিয়ে আনতে নৌনিরাপত্তা সপ্তাহ পালন করা হচ্ছে। মুক্তিযুদ্ধে নদীমাতৃক বাংলাদেশের নদীগুলোর অবদান রয়েছে। মুক্তিযুদ্ধে নদীর অবদানকে নিয়ে কোন চলচ্চিত্র, নাটক তৈরি হয়নি। নদীকে নিয়ে অবহেলা করা হয়েছে। স্বাধীন বাংলাদেশে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ফিরে এসে বলেছিলেন ‘নদীর নাব্যতা কমে গেছে, এর প্রবাহ ধরে রাখতে হবে। নদীর নাব্যতা ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে বঙ্গবন্ধু তাঁর সাড়ে তিন বছরের শাসনামলে সাতটি ড্রেজার সংগ্রহ করেছিলেন। সেই সাতটি ড্রেজার থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত বিআইডব্লিউটিএ’র ডেজার বহরে আটটি ড্রেজার হয়নি। এটাই বাস্তবতা। ’৭৫ সালে বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করার পর নদীর দখল ও দূষণ নিয়ে ভাবা হয়নি।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যার চেষ্টা করেছে। স্বাধীনতা বিরোধী চক্র ক্ষমতায় থেকে বাংলার মানুষের প্রতি অবহেলা করেছে। বাংলার মানুষের ওপর রোলার চালিয়ে অর্থ উপার্জনের চেষ্টা করেছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ নির্বাচনী ইশতেহারে ১০ হাজার কিলোমিটার নৌপথ তৈরির ঘোষণা দিয়েছে। এলক্ষ্যে ৩৮টি ড্রেজার সংগ্রহ করেছে আরো ৩৫টি ড্রেজার সংগ্রহের কাজ চলমান রয়েছে। এর আগে কোন রাজনৈতিক দল দেশের নৌপথ তৈরির কথা ভাবেনি। সরকার ১০ হাজার কিলোমিটার নৌপথ তৈরির কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১৯৯৬ সালে ঢাকার চারপাশের নৌপথ উন্নয়নের কথা বলেছিলেন। সেই নৌপথ রক্ষা করতে পারিনি। ঢাকার চারপাশের নদীর ওপর নেভিগেশনাল ছাড়পত্র ছাড়া ১৪টি লো-হাইটের ব্রীজ নির্মাণ করা হয়েছে। ‘বিআইডব্লিউটিএ’র অনুমোদন ছাড়া নৌপথে নদীর ওপর ব্রীজ নির্মাণ করা যাবেনা।’ আওয়ামী লীগ, শেখ হাসিনা এবং নৌকা  ‘নদী ও নৌপথ’ নিয়ে ভেবেছে।

খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেন, শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে। আগামি অক্টোবর-নভেম্বরে একটি ক্রুজ ভেসেল সংগ্রহ করতে যাচ্ছি যা দিয়ে বিদেশি পর্যটকদের সেবা দেয়া যাবে।

বাংলাদেশের নেভাল আর্কিটেক্টদের নির্মিত জাহাজ বিদেশে যাচ্ছে। নেভাল আর্কিটেক্টদের কর্মক্ষেত্র তৈরি করা হচ্ছে। নৌসেক্টরের মাধ্যমে যাতে বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার দেশের বাইরে যেতে না পারে সে পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে। বিদেশি জাহাজ মনিটরিং ও দিক নির্দেশনার জন্য আটটি লাইটহাউজ (বাতিঘর) নির্মাণ করা হচ্ছে। জাহাজের গতিবিধি পর্যবেক্ষণের জন্য চট্টগ্রাম ও মোংলা বন্দরে ভেসেল ট্রাফিক ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (ভিটিএমএস) চালু করা হয়েছে।

তিনি বলেন, নদী তীরে ওয়াকওয়ে (হাটারপথ) তৈরি করা হয়েছে। সেখানে প্রতিদিন হাজার হাজর মানুষ হাটতে পারছে। আমাদের অনেক চ্যালেঞ্জ আছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলার মানুষের জন্য চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করেছেন। বঙ্গবন্ধুর স্মৃতিঘেরা বাংলাদেশের নদীগুলো আমাদের মায়ের মতো। নদীমাতৃক বাংলাদেশকে রক্ষা করতে হবে। নদীগুলো মানুষের রক্তের শিরার মতো। শিরাতে রক্ত প্রবাহ বন্ধ হয়ে গেলে মানুষ মারা যায়। তেমনি নদীগুলোর প্রবাহ বন্ধ হয়ে গেলে বাংলাদেশও থেমে যাবে। তাই সবাইকে নদী রক্ষায় এগিয়ে আসতে হবে।

উল্লেখ্য, ২০০৪ সালের ২৩ মে চাঁদপুরের মেঘনায় ‘এমভি লাইটং সান’ নামের লঞ্চ ডুবির ঘটনায় ২০০৫ সাল থেকে নোঙর ট্রাস্ট ২৩ মে-কে জাতীয় নৌ-নিরাপত্তা দিবস ঘোষণার দাবিতে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করে আসছে।নৌ পরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, নদী তীরের দখল প্রতিরোধে ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। এ ক্ষেত্রে কোন কমপ্রোমাইজ করা হয়নি। নদী রক্ষায় আমাদের আরো বেশি সোচ্চার হতে হবে।

আজ মঙ্গলবার জাতীয় প্রেসক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী মিলনায়তনে নদী, প্রাণ-প্রকৃতি ও সমুদ্র সম্পদ ভিত্তিক সংগঠন ‘নোঙর ট্রাস্ট’ আয়োজিত ‘নদী আমাদের মা’ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।

‘নোঙর ট্রাস্ট’ এর চেয়ারম্যান সুমন শামস এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) চেয়ারম্যান কমডোর আরিফ আহমেদ মোস্তফা, নদী গবেষক বীর মুক্তিযোদ্ধা তোফায়েল আহমেদ, মেরিন হাইস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক নৌস্থপতি মো: শামসুল আলম, বাংলাদেশ পরিবেশ বাঁচাও আন্দোলন (বাপা) এর যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মিহির বিশ্বাস এবং রিভারাইন পিপল এর মহাসচিব শেখ রোকন।

খালিদ মাহমুদ চৌধুরী আরো বলেন, ২০০৪ সালের ২৩ মে লঞ্চডুবির ঘটনাটি দুর্ঘটনা, এটি ঠিক নয়; এটি অবহেলা। নৌদুর্ঘটনা কমিয়ে আনতে নৌনিরাপত্তা সপ্তাহ পালন করা হচ্ছে। মুক্তিযুদ্ধে নদীমাতৃক বাংলাদেশের নদীগুলোর অবদান রয়েছে। মুক্তিযুদ্ধে নদীর অবদানকে নিয়ে কোন চলচ্চিত্র, নাটক তৈরি হয়নি। নদীকে নিয়ে অবহেলা করা হয়েছে। স্বাধীন বাংলাদেশে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ফিরে এসে বলেছিলেন ‘নদীর নাব্যতা কমে গেছে, এর প্রবাহ ধরে রাখতে হবে।

নদীর নাব্যতা ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে বঙ্গবন্ধু তাঁর সাড়ে তিন বছরের শাসনামলে সাতটি ড্রেজার সংগ্রহ করেছিলেন। সেই সাতটি ড্রেজার থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত বিআইডব্লিউটিএ’র ডেজার বহরে আটটি ড্রেজার হয়নি। এটাই বাস্তবতা। ’৭৫ সালে বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করার পর নদীর দখল ও দূষণ নিয়ে ভাবা হয়নি।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যার চেষ্টা করেছে। স্বাধীনতা বিরোধী চক্র ক্ষমতায় থেকে বাংলার মানুষের প্রতি অবহেলা করেছে। বাংলার মানুষের ওপর রোলার চালিয়ে অর্থ উপার্জনের চেষ্টা করেছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ নির্বাচনী ইশতেহারে ১০ হাজার কিলোমিটার নৌপথ তৈরির ঘোষণা দিয়েছে। এলক্ষ্যে ৩৮টি ড্রেজার সংগ্রহ করেছে আরো ৩৫টি ড্রেজার সংগ্রহের কাজ চলমান রয়েছে। এর আগে কোন রাজনৈতিক দল দেশের নৌপথ তৈরির কথা ভাবেনি। সরকার ১০ হাজার কিলোমিটার নৌপথ তৈরির কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১৯৯৬ সালে ঢাকার চারপাশের নৌপথ উন্নয়নের কথা বলেছিলেন। সেই নৌপথ রক্ষা করতে পারিনি। ঢাকার চারপাশের নদীর ওপর নেভিগেশনাল ছাড়পত্র ছাড়া ১৪টি লো-হাইটের ব্রীজ নির্মাণ করা হয়েছে। ‘বিআইডব্লিউটিএ’র অনুমোদন ছাড়া নৌপথে নদীর ওপর ব্রীজ নির্মাণ করা যাবেনা।’ আওয়ামী লীগ, শেখ হাসিনা এবং নৌকা  ‘নদী ও নৌপথ’ নিয়ে ভেবেছে।

খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেন, শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে। আগামি অক্টোবর-নভেম্বরে একটি ক্রুজ ভেসেল সংগ্রহ করতে যাচ্ছি যা দিয়ে বিদেশি পর্যটকদের সেবা দেয়া যাবে।

বাংলাদেশের নেভাল আর্কিটেক্টদের নির্মিত জাহাজ বিদেশে যাচ্ছে। নেভাল আর্কিটেক্টদের কর্মক্ষেত্র তৈরি করা হচ্ছে। নৌসেক্টরের মাধ্যমে যাতে বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার দেশের বাইরে যেতে না পারে সে পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে। বিদেশি জাহাজ মনিটরিং ও দিক নির্দেশনার জন্য আটটি লাইটহাউজ (বাতিঘর) নির্মাণ করা হচ্ছে। জাহাজের গতিবিধি পর্যবেক্ষণের জন্য চট্টগ্রাম ও মোংলা বন্দরে ভেসেল ট্রাফিক ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (ভিটিএমএস) চালু করা হয়েছে।

তিনি বলেন, নদী তীরে ওয়াকওয়ে (হাটারপথ) তৈরি করা হয়েছে। সেখানে প্রতিদিন হাজার হাজর মানুষ হাটতে পারছে। আমাদের অনেক চ্যালেঞ্জ আছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলার মানুষের জন্য চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করেছেন। বঙ্গবন্ধুর স্মৃতিঘেরা বাংলাদেশের নদীগুলো আমাদের মায়ের মতো। নদীমাতৃক বাংলাদেশকে রক্ষা করতে হবে। নদীগুলো মানুষের রক্তের শিরার মতো। শিরাতে রক্ত প্রবাহ বন্ধ হয়ে গেলে মানুষ মারা যায়। তেমনি নদীগুলোর প্রবাহ বন্ধ হয়ে গেলে বাংলাদেশও থেমে যাবে। তাই সবাইকে নদী রক্ষায় এগিয়ে আসতে হবে।

উল্লেখ্য, ২০০৪ সালের ২৩ মে চাঁদপুরের মেঘনায় ‘এমভি লাইটং সান’ নামের লঞ্চ ডুবির ঘটনায় ২০০৫ সাল থেকে নোঙর ট্রাস্ট ২৩ মে-কে জাতীয় নৌ-নিরাপত্তা দিবস ঘোষণার দাবিতে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করে আসছে।

হরিপুরে ইউনিয়ন চেয়ারম্যানের মৃত্যু

হরিপুরে ইউনিয়ন চেয়ারম্যানের মৃত্যু

ঠাকুরগায়ের হরিপুরে ২ নং আমগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পাভেল তালুকদার ৩২ বুধবার দিবাগত রাত একটার সময় ঢাকা স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছে ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন‌‌ । তার লাশ গতকাল বৃহস্পতিবার বিকাল সাড়ে পাঁচটায় নন্দ গাও ঈদগাঁমাঠে জানাজা শেষে পারিবারিক গোরস্থানে দাফন সম্পন্ন করা হয় । মৃত কালে তিনি এক স্ত্রী এক কন্যা সহ অসংখ্য গুণাগ্রহী আগ্রহী , আত্মীয়-স্বজন, রেখে গেছেন । তার জানা যায় উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও আ,লীগ সভাপতি জিয়াউল হাসান মুকুল, উপজেলা নির্বাহী অফিসার একেএম শরিফুল হক, জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মাজহারুল ইসলাম সুজন, হরিপুর আ,লীগের সাধারণ সম্পাদক আলমগীর , সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম ও ও অধ্যক্ষ একেএম শামীম ফেরদৌস নগর, বিএনপির সভাপতি অধ্যাপক করিমুল হক ইউনিয়ন চেয়ারম্যান গণ সহ সর্বস্তরের জনসাধারণ ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ অংশগ্রহণ করে শোকাহত পরিবারের প্রতি সমবেদন জ্ঞাপন করেছে।

মো : জহরুল ইসলাম (জীবন), হরিপুর ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধ

হরিপুর কাঠালডাঙ্গীতে ঝুঁকিপূর্ণ ব্রিজেই ১০ গ্রামের মানুষের একমাত্র ভরসা

জহরুল ইসলাম (জীবন) হরিপুর (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধিঃ ঠাকুরগাঁয়ের হরিপুর উপজেলার ৬নং ভাতুরিয়া ইউনিয়নের কাঠালডাঙ্গী নাড়িয়া চোকা খালের উপর ৩৮ বছর পূর্ব নির্মিত ব্রিজটি অবস্থা নর-বড় হয়ে বর্তমান ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। ওই ঝুঁকিপূর্ণ ব্রীজটির উপর দিয়ে যানবাহন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সহ ১০ গ্রামের লক্ষাধিক মানুষের যাতায়াত করছে। এত জন দূভোগ ভুগছে মানুষ এবং যে কোন সময় ঘটতে পারে বড় ধরনের দুর্ঘটনা। বর্ষা নামার আগেই ওই স্থানে নতুন ব্রীজ নির্মানের দাবি করেছেন এলাকা বাসি। হরিপুর উপজেলা থেকে প্রায় ১২ কিঃমিঃ দূর চোরঙ্গী চৌরাস্তা থেকে -কাঠালডাঙ্গী গামী পাকা সড়ক মহিলা কলেজের সামনে ১৯৮৫ সাল নাড়িয়া চোকা খালের উপর নিমির্ত হয় ব্রীজটি। এটি নাড়িয়া চোকা ব্রীজ নাম পরিচিত। স্থানীয়রা জানায়, এই ব্রিজের উপর দিয়ে কাঠালডাঙ্গী মহিলা কলেজ, আর-এ কাঠালডাঙ্গী উচ্চ বিদ্যালয়, বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, আসলেউদ্দিন মাদরাসা, সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় এতিমখানা এ সকল প্রতিষ্ঠানর ছাত্র-ছাত্রীরা যাতায়াত করে। এখান একটি ইউনিয়ন স্বাস্থ্য, ইউনিয়ন ভূমি অফিস ও ইউনিয়ন পরিষদ এবং উপজেলার ২য় বৃহত্তর কাঠালডাঙ্গী হাট রয়েছে। এ ছাড়াও বহতি, মাগুড়া, মুলকান, শিশুডাঙ্গী, মহদ্রগাঁও, জিগাঁও, পাটনপাড়া, যাদবপুর গোপালপুর এই ১০ টি গ্রামের মানুষের একমাত্র পথ চলাচলের ভরসা। বর্ষার সময় খালের পানির প্রবাহর স্রোত বেশি হওয়ার কারনে ব্রীজের দুই পাশের মাটি সরে গিয়ে ব্রীজটি নর-বড় হয়ে পরছে । ওই অবস্থায় দীর্ঘ দিন ধরে মানুষ ও বিভিন যানবাহন জীবন ঝুঁকি নিয়ে দিন-রাত কোনো মত চলাচল করছে । ইতি মধ্যই এখানে কয়েকটি দূর্ঘটনাও ঘটেছ। বর্ষা মৌসুমে আসার আগেই এখান একটি নতুন ব্রীজর জরুরী প্রয়োজন। না হলে পুরা ব্রীজটি ধসে পড়লে ১০টি গ্রামের মানুষ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ব্যবসা বাণিজ্য, হাট-বাজার, জরুরী চিকিৎসা নিয়ে মহা বিপদের মধ্যে রয়েছে। কারণ এই রাস্তাটি ছাড়া উপজেলা সদরের সাথে যোগাযোগের আর কোন বিকল্প রাস্তা নাই। ইউনিয়ন চেয়ারম্যান শাহজাহান সরকার বলেন এই ঝুঁকি পূণ্য ব্রীজটির বিষয় সংশ্লিষ্ঠ দপ্তরক জানানো হয়েছে। উপজেলা প্রকৌশলী মাইনুল ইসলাম বলেন, জরুরী ভিত্তিতে এই জনবহুল এলাকার ব্রীজটি দ্রুত নির্মাণের জন্য সংশ্লিষ্ঠ দপ্তরকে জানানো হয়েছে অর্থ বরাদ্দ পেলেই অগ্রাধিকার ভিত্তিতে এই ব্রীজর কাজ করা হবে ।

হরিপুর চরভিটা স্কুল পরিদর্শন করলেন শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক

হরিপুর চরভিটা স্কুল পরিদর্শন করলেন শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক

মো জহুরুল ইসলাম (জীবন) হরিপুর(ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধি:ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুর জাতীয় ভাবে শ্রেষ্ঠ হওয়া চরভিটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি পরিদর্শন করলেন শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শাহ রেজওয়ান হায়াত ও অর্থ পরিচালক মিজানুল হক । গতকাল রবিবার ঠাকুরগাঁও জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার বাজেট প্রাপ্ত এবং বাস্তবায়ন বিষয়ক প্রশিক্ষনের প্রধান অতিথি তিনি দুপুর ১২টায় উক্ত স্কুলটি পরিদর্শনে আসেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার খন্দকার মুনছুর রহমান, হরিপুর উপজেলাপরিষদ চেয়ারম্যান ও আ“লীগ সভাপতি জিয়াউল হাসান , উপজেলা নির্বাহী অফিসার এ কে এম শরিফুল হক, উপজেলা প্রকৌশলী মাইনুল ইসলাম,বাংলাদেশ সহকারী শিক্ষা অফিসার সমিতির সভাপতি সহকারী শিক্ষা অফিসার এসএম রবিউল ইসলাম,ভারপ্রাপ্ত প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার জাহিদ ইবনে সুলতান, চেয়ারম্যান আবু তাহের প্রমুখ। এ সময় তিনি স্কুলটির পরিবেশ ও ছাত্র-ছাত্রীর উপস্থিত দেখে মুগ্ধহোন এবং প্রধান শিক্ষক এরফান আলীকে ধন্যবাদ জানান। এবং জেলা শিক্ষা অফিসারকে অতিতাড়ি স্কুলে আরো একজন শিক্ষক দেওয়ার নির্দেশ দেন।

কুষ্টিয়া জেলায় চলছে পদমর্যাদাভিত্তিক দক্ষতা উন্নয়ন কোর্সর ১০ম ব্যাচ

কুষ্টিয়া জেলায় চলছে পদমর্যাদাভিত্তিক দক্ষতা উন্নয়ন কোর্সর ১০ম ব্যাচ

কুষ্টিয়ায় পুলিশ সদস্যের পদমর্যাদা ভিত্তিক দক্ষতা উন্নয়ন কোর্সর আওতাভুক্ত নায়েক ও কনস্টেবলদের “দক্ষতা উন্নয়ন কোর্স-১০ম ব্যাচের” উদ্বোধনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (০৬ মে) ২০২৩ কুষ্টিয়া জেলা পুলিশের আয়োজনে পুলিশ লাইন্স, সম্মেলন কক্ষে এ প্রশিক্ষণ কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনাব মোঃ খাইরুল আলম, সুযোগ্য পুলিশ সুপার, কুষ্টিয়া।

বাংলাদেশ পুলিশের ইন্সপেক্টর জেনারেল (আইজিপি) মহোদয়ের সার্বিক তত্ত্বাবধানে বাংলাদেশ পুলিশের সর্বমোট ১০৫টি ভেন্যুতে সকল পদমর্যাদার সদস্যদের নিয়ে অদ্য ০৬ মে, ২০২৩ তারিখ ১০ম ব্যাচের ০৬ দিন ব্যাপি পদমর্যাদাভিত্তিক প্রশিক্ষণ কর্মসূচির শুরু হয়েছে। তারই ধারাবাহিকতায় কর্মসূচির অংশ হিসাবে কুষ্টিয়া জেলায় প্রশিক্ষণ কর্মসূচি শুরু হয়েছে। প্রতিদিনের ধারাবাহিক প্রশিক্ষণের অংশ হিসাবে সকাল ৬ টার দিকে পিটির (শক্তি বর্ধক ব্যায়াম) মধ্য দিয়ে দিনের কর্মসূচি শুরু হয়।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে কুষ্টিয়া জেলা পুলিশ সুপার জনাব মোঃ খাইরুল আলম বলেন, ‘জীবনের প্রয়োজনে প্রতিটি মানুষের পেশাগত কাজের উন্নয়েনের জন্য একাডেমিক শিক্ষার পাশাপাশি প্রশিক্ষণ গ্রহণের প্রয়োজন হয়’। প্রশিক্ষণ মানুষকে যোগ্য করে তোলে। প্রশিক্ষণ হচ্ছে এমন একটি পরিকল্পিত কার্যক্রম যেখানে একদল মানুষকে একটি নির্দিষ্ট বিষয়ের উপর দক্ষতা বৃদ্ধি করা হয়। প্রশিক্ষণের মাধ্যমে ব্যক্তির কাজের উপর জ্ঞান ও দৃষ্টিভঙ্গীর পরিবর্তন ঘটে। প্রশিক্ষণ গ্রহনের মাধ্যমে একটি নির্দিষ্ট কাজের উপর যোগ্যতা অর্জন ও দক্ষ হওয়া যায়। এসময় আরও বক্তব্য রাখেন জনাব ড. এস এম ফরহাদ হোসেন, কমান্ড্যান্ট (পুলিশ সুপার), ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টার, কুষ্টিয়া মহোদয়।

উক্ত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জনাব মোঃ আবু রাসেল ,অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, সদর সার্কেল, কুষ্টিয়া, জনাব মোঃ হাফিজুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টার, কুষ্টিয়া, আরওআই,আরআই, কুষ্টিয়াসহ ইন্সপেক্টর পদমর্যাদার প্রশিক্ষকগণ এবং নায়েক ও কনস্টেবল পদমর্যাদার প্রশিক্ষনার্থীবৃন্দ।

কুষ্টিয়ায় পুলিশ সদস্যের পদমর্যাদা ভিত্তিক দক্ষতা উন্নয়ন কোর্সর আওতাভুক্ত নায়েক ও কনস্টেবলদের “দক্ষতা উন্নয়ন কোর্স-১০ম ব্যাচের” উদ্বোধনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (০৬ মে) ২০২৩ কুষ্টিয়া জেলা পুলিশের আয়োজনে পুলিশ লাইন্স, সম্মেলন কক্ষে এ প্রশিক্ষণ কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনাব মোঃ খাইরুল আলম, সুযোগ্য পুলিশ সুপার, কুষ্টিয়া।

বাংলাদেশ পুলিশের ইন্সপেক্টর জেনারেল (আইজিপি) মহোদয়ের সার্বিক তত্ত্বাবধানে বাংলাদেশ পুলিশের সর্বমোট ১০৫টি ভেন্যুতে সকল পদমর্যাদার সদস্যদের নিয়ে অদ্য ০৬ মে, ২০২৩ তারিখ ১০ম ব্যাচের ০৬ দিন ব্যাপি পদমর্যাদাভিত্তিক প্রশিক্ষণ কর্মসূচির শুরু হয়েছে। তারই ধারাবাহিকতায় কর্মসূচির অংশ হিসাবে কুষ্টিয়া জেলায় প্রশিক্ষণ কর্মসূচি শুরু হয়েছে। প্রতিদিনের ধারাবাহিক প্রশিক্ষণের অংশ হিসাবে সকাল ৬ টার দিকে পিটির (শক্তি বর্ধক ব্যায়াম) মধ্য দিয়ে দিনের কর্মসূচি শুরু হয়।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে কুষ্টিয়া জেলা পুলিশ সুপার জনাব মোঃ খাইরুল আলম বলেন, ‘জীবনের প্রয়োজনে প্রতিটি মানুষের পেশাগত কাজের উন্নয়েনের জন্য একাডেমিক শিক্ষার পাশাপাশি প্রশিক্ষণ গ্রহণের প্রয়োজন হয়’। প্রশিক্ষণ মানুষকে যোগ্য করে তোলে। প্রশিক্ষণ হচ্ছে এমন একটি পরিকল্পিত কার্যক্রম যেখানে একদল মানুষকে একটি নির্দিষ্ট বিষয়ের উপর দক্ষতা বৃদ্ধি করা হয়। প্রশিক্ষণের মাধ্যমে ব্যক্তির কাজের উপর জ্ঞান ও দৃষ্টিভঙ্গীর পরিবর্তন ঘটে। প্রশিক্ষণ গ্রহনের মাধ্যমে একটি নির্দিষ্ট কাজের উপর যোগ্যতা অর্জন ও দক্ষ হওয়া যায়। এসময় আরও বক্তব্য রাখেন জনাব ড. এস এম ফরহাদ হোসেন, কমান্ড্যান্ট (পুলিশ সুপার), ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টার, কুষ্টিয়া মহোদয়।

উক্ত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জনাব মোঃ আবু রাসেল ,অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, সদর সার্কেল, কুষ্টিয়া, জনাব মোঃ হাফিজুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টার, কুষ্টিয়া, আরওআই,আরআই, কুষ্টিয়াসহ ইন্সপেক্টর পদমর্যাদার প্রশিক্ষকগণ এবং নায়েক ও কনস্টেবল পদমর্যাদার প্রশিক্ষনার্থীবৃন্দ।

টাঙ্গাইলে ২৩৪ কোটি টাকার গাইড বাঁধে ধস, ভাঙনের আশঙ্কায় হাজারো পরিবার

টাঙ্গাইলের বঙ্গবন্ধু সেতুর সোয়া কিলোমিটার দক্ষিণে কালিহাতী উপজেলার গোহালিয়াবাড়ী ইউনিয়নের বেলটিয়া ও হাটবাড়ী আলীপুর অংশে ৪টি লটে ভাগ করে ওই গাইড বাঁধ নির্মাণ করেছিল ৪টি ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান। সেই গাইড বাঁধের পাশে যমুনা নদীতে বড় বড় ড্রেজার বসিয়ে বালু লোড-আনলোড, উত্তোলন ও বিক্রির উদ্যোগ নেওয়ায় বাঁধ ভেঙে সরকারের কোটি কোটি টাকার প্রকল্প ভেস্তে যাওয়ার পাশাপাশি স্থানীয় শত শত পরিবারের বাড়িঘর নদীতে বিলীন হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

২০২১ সালে ওই স্থানের ৬-৭টি বাড়িঘর নদীগর্ভে চলে যায়। ২০২২ সালের বর্ষায় গাইড বাঁধের মাঝখানে ২-৩ জায়গায় ডেবে যায়। আবার ভাঙন আতঙ্কে এলাকাবাসী বালু উত্তোলন ও বাল্কহেড থেকে খালাস বন্ধে প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করছে।

বাপাউবো সূত্রে জানা যায়, বুড়িগঙ্গা নদী পুনরুদ্ধার (নিউ ধলেশ্বরী-পুংলী-বংশাই-তুরাগ-বুড়িগঙ্গা রিভার সিস্টেম) প্রকল্পের আওতায় বঙ্গবন্ধু সেতুর ভাটিতে নিউ ধলেশ্বরী নদীর মুখে (অফটেক) খনন ও ১৫৩০ মিটার গাইড বাঁধ নির্মাণ করে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড (বাপাউবো)। আর এই বাঁধটি নির্মাণ করতে ব্যয় হয় ২৩৪ কোটি ২৪ লাখ ৭৮ হাজার টাকা।

স্থানীয়রা জানায়, গাইড বাঁধ নির্মাণ হওয়ায় বেলটিয়া এলাকার নদীভাঙা মানুষ ঘর-বাড়ি নির্মাণ করে বসবাস করছে। দুই বছর আগে বেলটিয়ার অংশে ভাঙনের ফলে বিশালাকার পুকুর তৈরি হয়। ওই স্থানে প্রথমে জিও ব্যাগ ও সিমেণ্টের তৈরি ব্লক ফেলে ভাঙন রোধ করা হয়। পরে ভাঙনের ফলে কর্তৃপক্ষ প্রণীত নকশা পরিবর্তন করে চন্দ্রা কারে গাইড বাঁধ নির্মাণ করতে বাধ্য হয়।

এ ছাড়াও বর্ষা মৌসুমে যমুনা ক্ষেপে গেলে ওই স্থান দিয়ে পৃথক নদীমুখ বের করে নেওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এতে বেলটিয়া ও কুর্শাবেনু গ্রামের ২ হাজার পরিবার ভাঙনের শিকার হওয়ার আশঙ্কা সৃষ্টি হয়েছে। বর্তমানে ওই চন্দ্রাকার বাঁধের স্থানে বড় বড় ৫টি ড্রেজার মেশিন স্থাপন করায় নদী ভাঙনের আশঙ্কা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।

জানা যায়, বঙ্গবন্ধু সেতু-ঢাকা মহাসড়কে এলেঙ্গা থেকে বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্বপাড় গোলচত্বর পর্যন্ত সাড়ে ১৩ কিলোমিটার এলাকা চার লেনে উন্নীতকরণ প্রকল্পের কাজ করছে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান আব্দুল মোমেন লিমিটেড। ওই প্রকল্পের সড়ক প্রশস্তকরণে বালু-মাটি সরবরাহ করতে স্থানীয় একটি প্রভাবশালী মহল সাব-ঠিকাদারী নিয়েছেন। তাদের মধ্যে গোহালিয়াবাড়ী ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল হাই আকন্দ নেতৃত্ব দিচ্ছেন।

অংশীদারদের মধ্যে রয়েছেন-গোহালিয়াবাড়ী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি জহুরুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম (মেম্বার), বালু ব্যবসায়ী মাসুদ রানা, ৮ নম্বর (বেলটিয়া) ইউপি সদস্য মো. শাজাহান আলী, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান হযরত আলী তালুকদার, সাবেক ইউপি সদস্য সুলতান ফকির প্রমুখ। তারা যমুনা নদীর বাম তীরের বেলটিয়া অংশে বড় বড় ৫টি ড্রেজার ও ৩টি বাল্কহেড (বলগেট) এনে পাইপের ৪টি সারি প্রস্তুত করেছেন। আরও একটি প্রস্তুতের পর্যায়ে রয়েছে। ৩টি বাল্কহেডের মধ্যে একটিতে যমুনাগর্ভে ড্রেজার বসানোর জন্য স্টিলের পাইপ আনা হয়েছে। অন্যটি থেকে বালু খালাস করা হচ্ছে এবং অপরটি তীরে ভেড়ানো রয়েছে।

এ প্রসঙ্গে নাম প্রকাশ না করার শর্তে কয়েকজন অংশীদার জানান, গোহালিয়াবাড়ী ইউপি চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে সিরাজগঞ্জের তাপস ঠিকাদারের নেওয়া বালুঘাটে ৩০ লাখ টাকা দিয়ে অংশীদার হন তারা (উক্ত অংশীদাররা)। সেখান থেকে বাল্কহেডের মাধ্যমে বালু এনে বেলটিয়ায় খালাস করা হচ্ছে। ওই বালু আব্দুল মোনেম লিমিটেডের কাছে বিক্রি করার কথা রয়েছে।

এদিকে আলীপুর গ্রামের প্রবাসী হাতেম আলী জানান, যমুনায় তাদের বাড়ি দুই দফায় ভেঙে গেছে। নিউ ধলেশ্বরী নদীর মুখ বাঁধাই করায় তিনি ও তার দুই ভাই মফিজ উদ্দিন ও হাফেজ উদ্দিন যমুনার বেলটিয়া অংশে পৈত্রিক জমিতে নতুন বাড়ি করেছেন। তিনি দুই মেয়ে-এক ছেলে ও ভাইদের নিয়ে সেখানে বসবাস করছেন।

তিনি জানান, নদীর মুখে বাঁধ নির্মাণ করায় এ অঞ্চলের মানুষ বসবাসের নির্ভরতা খুঁজে পেয়েছে। এক কথায় বলতে গেলে সরকার বাঁধ নির্মাণ করে উপকার করেছে।

চরহামজানী গ্রামের শিক্ষক আব্দুল বাছেদ ও তার ভাই আব্দুল মালেক বেলটিয়ায় এসে বাড়ি নির্মাণ করেছেন। তারা জানান, নিউ ধলেশ্বরীর মুখে (অফটেক) বাঁধ নির্মাণ না হলে বেলটিয়ায় এসে বাড়ি করার কল্পনাও করা যেত না। বাঁধ নির্মাণ হওয়ায় তারা বাড়ি তৈরি করে পরিবার-পরিজন নিয়ে বসবাস করতে পারছেন।

তারা আরও জানান, যমুনা ক্ষেপে গিয়ে গত বছর বাঁধে ভাঙন দেখা দেওয়ায় তারা এমনিতেই শঙ্কিত। এর মধ্যে ড্রেজার বসালে বাঁধে ভাঙন সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা আরও বেড়ে যাবে।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, যমুনা নদীর বাম তীরে বেলটিয়া অংশে প্রকল্পের ১ নম্বর লটে ৪৫০ মিটার বাঁধ নির্মাণ করে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান ঢাকাস্থ এসএস ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড কনস্ট্রাকশন লিমিটেড এবং ২ নম্বর লটে ১৭৮ মিটার টার্নিংসহ ৩২৮ মিটার বাঁধ নির্মাণ করে ঢাকাস্থ এআরকেএল ও কিউএইচএমসিএল জয়েন্ট ভেঞ্চার কোম্পানি।

প্রকল্পের ১ নম্বর লটের ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের সাইট ম্যানেজার গৌতম দাস ও ২ নম্বর লটের ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের সাইট ম্যানেজার রুবায়েতুল ইসলাম তন্ময়সহ নদী শাসন সংশ্লিষ্ট প্রায় আধা ডজন প্রকৌশলী জানান, প্রমত্ত্বা যমুনার পেট চিরে জন্ম হওয়া নিউ ধলেশ্বরীর অফটেক বাঁধাই একটি যুগান্তকারী সাফল্য। এই সাফল্যের কৃতিত্ব বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের(বাপাউবো) সঙ্গে সঙ্গে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান ও স্থানীয় জনসাধারণেরও। গাইড বাঁধের ফলে যমুনার মূলস্রোত বাম তীর ঘেষে বইছে।

তাৎক্ষণিক সামান্য লাভের জন্য ড্রেজার বসিয়ে যমুনা থেকে বালু উত্তোলন বা বাঁধের উপর চর পড়ার আগেই বালু-মাটি লোড-আনলোড করা বাঁধের জন্য হুমকি। বর্ষায় প্রমত্ত্বা যমুনা ক্ষেপে গেলে তাকে নিয়ন্ত্রণ করা প্রায় অসম্ভব। বাঁধ ভেঙে গেলে স্থানীয় জনগোষ্ঠীর বাড়িঘর ও ফসলি জমিসহ সরকারের ২৩৪ কোটি টাকা নদীগর্ভে চলে যেতে পারে। এজন্য আগেই সতর্ক হওয়া জরুরি বলে তারা মতপ্রকাশ করেন।

এ প্রসঙ্গে গোহালিয়াবাড়ী ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য শাজাহান আলী জানান, বেলটিয়ায় তার বাড়ি হওয়ায় তাকে বালু সরবরাহে কিঞ্চিৎ অংশীদার রাখা হয়েছে। সিরাজগঞ্জের বালুমহাল থেকে বালু কিনে এনে মহাসড়কের মাটি ভরাট কাজে দেওয়ার কথা রয়েছে। যমুনা ক্ষেপে গেলে এমনিতেই ভাঙবে। যমুনার ভাঙন ঠেকানো সত্যিই দূরূহ বিষয়। গত বছর ড্রেজার বসানো বা বালু খালাসের কোনো বিষয় ছিল না তবুও গাইড বাঁধ ধসে গর্ত হয়েছিল। পরে তা মেরামত করা হয়েছিল।

তিনি আরও জানান, গাইড বাঁধ সম্পূর্ণ বালুর উপর নির্মাণ করা হয়েছে। কোনো কারণে বাঁধের নিচে গর্ত হয়ে পানি ঢুকলে পুরো বাঁধ ধ্বসে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

গোহালিয়াবাড়ী ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান হযরত আলী তালুকদার জানান, বেলটিয়া ও কুর্শাবেনু এলাকায় তাদের অনেক জমি-জমা আছে। জমির উপর দিয়ে পাইপ নিতে হয়। তাই তাকে কিঞ্চিৎ অংশের ভাগিদার রাখা হয়েছে। বাঁধের ক্ষতি হয় এমন কোনো কাজকে তিনি সমর্থন করবেন না।

উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. আনোয়ার হোসেন মোল্লা জানান, সিরাজগঞ্জ থেকে বালু এনে যমুনার বেলটিয়া অংশে আনলোড করা বা যমুনা থেকে বালু উত্তোলনের বিষয়ে তাকে কেউ জানায়নি। সরকারের কোটি কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত বাঁধ ক্ষতিগ্রস্ত হবে- এটা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। প্রশাসনের সংশ্লিষ্টরা এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেবেন এমনটাই প্রত্যাশা করেন তিনি।

অন্যদিকে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান ও বালু ব্যবসায়ীদের নেতা আব্দুল হাই আকন্দ জানান, তারা সিরাজগঞ্জের ঘাট থেকে বালু কিনে বাল্কহেডের মাধ্যমে এনে বেলটিয়ায় খালাস করছেন। ড্রেজার বসিয়ে যমুনার চর থেকে বালু আনার কোনো পরিকল্পনা তাদের নেই। তারা যাই করুক না কেন বাসেক ও স্থানীয় প্রশাসনকে অবহিত করেই করবেন।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার নাজমুল হুসেইন জানান, যমুনায় ড্রেজার বসিয়ে বালু উত্তোলনের কোনো তথ্য তার কাছে নেই। নিউ ধলেশ্বরী নদীতে ড্রেজার বসানোয় পুরোপুরি নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। মহাসড়ক প্রশস্তকরণে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান পাউবো’র উত্তোলিত বালু (ড্রেজড ম্যাটার) কিনেছে। মহাসড়ক চারলেনে উন্নীতকরণের কাজ বিশাল। তারা কোথা থেকে, কীভাবে মাটি-বালু এনে মহাসড়ক প্রশস্ত করবে-এটা উপর মহলের বিষয় তাই তিনি এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে পারেন না বলে জানান তিনি।

ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়ক চারলেনে উন্নীতকরণ প্রকল্পের ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান আব্দুল মোনেম লিমিটেডের প্রজেক্ট ম্যানেজার (পিএম) মো. আব্দুল আওয়াল জানান, মহাসড়ক প্রশস্তকরণে মাটি ভরাটের জন্য তারা টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসনের কাছ থেকে পাউবো কর্তৃক নিউ ধলেশ্বরীর উত্তোলিত বালু (ড্রেজড ম্যাটার) দরপত্রের মাধ্যমে কিনেছেন। এ ছাড়াও যমুনার চর থেকে বালু কেটে আনার নিমিত্তে তাদের অনুমতি রয়েছে। তবে তা বঙ্গবন্ধু সেতুর উজান ও ভাটির (কেপিআই) অঞ্চল থেকে আনা হবে কি-না তা তিনি বলতে পারেননি।

টাঙ্গাইল পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. সাজ্জাদ হোসেন জানান, গাইড বাঁধ ও এর আশপাশে ড্রেজিং সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। পাউবোর কোনো ড্রেজারও ওই এলাকায় নেই। কেউ ড্রেজার বসানোর চেষ্টা বা বাঁধের ক্ষতি করার চেষ্টা করলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তিনি আরও জানান, বুড়িগঙ্গা নদী পুনরুদ্ধার প্রকল্পের আওতায় বঙ্গবন্ধু সেতুর সোয়া কিলোমিটার দক্ষিণে ২৩৪ কোটি ২৪ লাখ ৭৮ হাজার টাকায় ১৫৩০ মিটার গাইড বাঁধ (অফটেক বাঁধাই) নির্মাণ করা হয়েছে। স্থানীয় জনসাধারণ বাঁধের সুফল ভোগ করতে শুরু করেছে।

এ ছাড়াও যমুনায় বঙ্গবন্ধু সেতুর উজানে ৬ কিলোমিটার ও ভাটিতে ৬ কিলোমিটার এলাকা বাসেকের বলে জানান পাউবোর এই প্রকৌশলী। এ প্রসঙ্গে তিনি জানান, নির্দিষ্ট ১২ কিলোমিটার নদী বাসেকের বঙ্গবন্ধু সেতু সাইট অফিস দেখভাল করবে।

বাসেকের বঙ্গবন্ধু সেতু সাইট অফিসের নির্বাহী প্রকৌশলী আহসানুল কবীর পাভেল জানান, বঙ্গবন্ধু সেতুর উজানে ৬ ও ভাটিতে ৬ এই ১২ কিলোমিটার এলাকা কেপিআই হিসেবে চিহ্নিত। এই এলাকার মধ্যে ড্রেজার বসানো সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। কেউ ড্রেজার বসানো বা বালু উত্তোলনের চেষ্টা করলে কঠোর হস্তে দমন করা হবে। লোড-আনলোড করার বিষয়টি তার জানা নেই। এ বিষয়ে কেউ তার সাথে কোনো আলোচনা করেনি। মহাসড়কে বালু দেওয়ার জন্য লোড-আনলোড করে থাকলে বিষয়টি পাউবো বা স্থানীয় প্রশাসন দেখবে। তাছাড়া গাইড বাঁধের ক্ষতি হবে-এমন কাজ কাউকেই করতে দেওয়া হবে না।

এ ব্যাপারে টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক জসীম উদ্দীন হায়দার জানান, কোন কারণেই গাইড বাঁধের ক্ষতি এবং মানুষের জান-মালের ক্ষয়ক্ষতি করা যাবে না। যমুনায় ড্রেজার বাসানো ও লোড-আনলোডের বিষয়টি তিনি খোঁজ-খবর নিয়ে ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। তবে বাঁধের বিষয়ে তিনি তাৎক্ষণিকভাবে সংশ্লিষ্টদের সতর্ক থাকার নির্দেশনা দিয়েছেন।

টাঙ্গাইলে হজযাত্রীদের মেডিকেল চেকআপ ফ্রি করলেন ডিসি

টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক জসীম উদ্দীন হায়দারের হস্তক্ষেপে জেলার হজযাত্রীদের মেডিকেল চেকআপ ফ্রি করে দিয়েছে বেসরকারি একটি ক্লিনিক। গত ১ মে থেকে হজযাত্রীদের ফ্রিতে মেডিকেল চেকআপ করানো হচ্ছে।

জেলা প্রশাসক কার্যালয় সূত্র জানায়, এ বছর সরকারিভাবে ১৭০ জন ও বেসরকারিভাবে এক হাজার ১৩১ জন হজ করতে সৌদি আরব যাবেন। হজযাত্রীদের পক্ষ থেকে চেকআপ ফি কমানোর জন্য জেলা প্রশাসক বরাবর আবেদন করা হয়।

সেই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে জেলা প্রশাসক জসীম উদ্দীন হায়দার, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. ওলিউজ্জামান, সিভিল সার্জন ডা. মো. মিনহাজ উদ্দিন মিয়া, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উপপরিচালক মোহাম্মদ আলী সভা করেন। পরে জেলা প্রশাসকের পক্ষে সোনিয়া ক্লিনিকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আবুল কাশেমের কাছে বিষয়টি জানানো হয়। পরে তিনি জেলা প্রশাসক ও হজযাত্রীদের সম্মানে জেলার সব হজযাত্রীদের ফ্রিতে মেডিকেল চেকআপ করার ঘোষণা দেন।

হজযাত্রীদের বেসরকারি ক্লিনিক থেকে মেডিকেল চেকআপ করতে দুই হাজার টাকার মতো খরচ হয়।

এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক জসীম উদ্দীন হায়দার বলেন, ইতোপূর্বে হজযাত্রীদের কখনই মেডিকেল চেকআপ ফ্রি দেওয়া হয়নি। তারা চেকআপ করতে এসে কষ্ট ও হয়রানিতে পড়তেন। এতে অনেক ক্লিনিকের বদনাম রয়েছে।

হজযাত্রীদের প্রতি সহানুভূতি এবং ক্লিনিক থেকে ভালো সেবা পেতে পারে সেজন্য কয়েক ক্লিনিক মালিকের সঙ্গে কথা বলা হয়। এদের কেউ কেউ কমে চেকআপ করতে চাইলেও সোনিয়া ক্লিনিকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফ্রিতে করার ঘোষণা দেন।

কুষ্টিয়ায় ৭৪০ পিচ ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট ১টি মোটরসাইকেল ও নগদ টাকাসহ ০৩ জন আসামী গ্রেফতার

বুধবার (০৫ মে, ২০২৩খ্রিঃ) তারিখে জনাব মোঃ খাইরুল আলম, সুযোগ্য পুলিশ সুপার, কুষ্টিয়া মহোদয়ের নির্দেশে জনাব মোঃ আবু রাসেল, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, সদর সার্কেল, কুষ্টিয়া এর সার্বক্ষণিক তদারকি ও দিক নির্দেশনায় জনাব মোঃ শাহাদৎ হোসেন, অফিসার ইনচার্জ, কু্ষ্টিয়া মডেল থানা, কুষ্টিয়া’র সহযোগিতায় এসআই(নিঃ)/সুফল সরকার, কুষ্টিয়া মডেল থানা, কুষ্টিয়া সঙ্গীয় অফিসার ফোর্সের সমন্বিত প্রচেষ্টায় মাদক ব্যবসায়ী ১. মোঃ ইমরান হোসেন চঞ্চল (৩৫), পিতা-মোঃ বাবুল মোল্লা, সাং-কালিশংকরপুর ড. আইনুদ্দিন সড়ক) , ২. মোঃ সাকিব (২৩), পিতা-মৃত মহিদুল ইসলাম, সাং-কালিশংকরপুর, ৩. মোঃ ইউসুফ আলী (৬৩), পিতা-মৃত ময়েজ উদ্দিন মন্ডল, সাং-মঙ্গলবাড়ীয়া, সর্ব থানা ও জেলা-কুষ্টিয়াদেরকে (ক) ৭৪০(সাতশত চল্লিশ) পিচ ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট, ০১টি লাল কালো রংয়ের YAMAHA FZ-S পুতরান ব্যবহৃত মোটরসাইকেল এবং মাদক বিক্রয়লব্ধ নগদ ২৯,০০০/-(উনত্রিশ হাজার) টাকা ধৃত আসামী নিজ হাতে বাহির করিয়া দেওয়া সহ গ্রেফতার পূর্বক নিয়মিত মামলা রুজু করা হয়। পরবর্তীতে আসামীগণদের বিরুদ্ধে কুষ্টিয়া সদর থানার মামলা নং-০৫, তারিখ-০৩/০৫/২০২৩, ধারা-৩৬(১) সারিণর ২৯(ক)/৪১/৩৮ মাদকব নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮; রুজু করা হয়। এলাকার সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার্থে চলমান অভিযান অব্যাহত আছে।

মে দিবসে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সাংবাদিক ইউনিয়নের আলোচনা সভা 

মহান মে দিবস ও আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবসে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সাংবাদিক ইউনিয়নের আলোচনা সভা

মহান মে দিবস ও আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস উপলক্ষে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (০১ মে) বেলা ১১টায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া সাংবাদিক ইউনিয়নের উদ্যোগে মসজিদ রোডস্থ ভূইয়া ম্যানশনে নিজস্ব কার্যালয়ে এই আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। 

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি দীপক চৌধুরী বাপ্পির সভাপতিত্বে সম্মানিত অতিথি ছিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেস ক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক জাবেদ রহিম বিজন।

আলোচনা সভার শুরুতেই স্বাগত বক্তব্য রাখেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মো. মনির হোসেন। 

যুগ্ম সম্পাদক ফরহাদুল ইসলাম পারভেজের সঞ্চালনায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন কোষাধ্যক্ষ আজিজুল আলম সঞ্চয়, প্রতিদিনের সংবাদের জেলা প্রতিনিধি মুজিবুর রহমান খান, জিটিভির জেলা প্রতিনিধি জহির রায়হান, বৈশাখী টিভির জেলা প্রতিনিধি  আল মামুন, জাগোনিউজের জেলা প্রতিনিধি আবুল হাসনাত মো. রাফি, সামিউল হক, দ্য ফ্রন্টিয়ারের বার্তা সম্পাদক রুদ্র মুহম্মদ ইদ্রিস, সাংবাদিক শাহাদাৎ হোসেন সোহেল প্রমূখ। 

এসময় বক্তারা বলেন, আধুনিকতার ছোয়ায় সংবাদ কর্মীদের কাজের পরিধি বেড়েছে৷ কিন্তু আগের মতোই জেলায় কর্মরত জাতীয় মিডিয়ার প্রতিনিধিদের বেতন বৈষম্য রয়ে গেছে। এসময় বক্তারা স্থানীয় ও জাতীয় দৈনিকে কর্মরত কর্মীদের শ্রম অধিকার আদায়ে কিছু দাবি উত্থাপন করেন। 

দাবি গুলো হচ্ছে, জেলার স্থানীয় দৈনিক ও অনলাইনে কর্মরত কর্মীদের নিয়োগপত্র প্রদান, সাপ্তাহিক ছুটি ও সকল উৎসবে ভাতা প্রদানের দাবি। ছাড়াও জেলায় কর্মরত জাতীয় মিডিয়ার প্রতিনিধিদের ৯ম ওয়েজবোর্ড অনুযায়ী বেতন-ভাতা প্রদানের দাবি করেন বক্তারা। 

হরিপুরে রাতের আধারে কৃষকের ভুট্টা ভাঙ্গে নিয়ে গেল দুর্বৃত্তরা

হরিপুরে রাতের আধারে ভুট্টা ভাঙ্গে নিয়ে গেল দুর্বৃত্তরা ।

হরিপুর(ঠাকুরগাঁও)প্রতিনিধি: ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুরে রাতের আঁধারে আনিসুর রহমান নামে এক কৃষক এর ভুট্টা ক্ষেত থেকে ভুট্টা ভেঙ্গে নিয়ে গেছে দুর্বৃত্তরা।

ঘটনাসুত্রে রানা যায়, উপজেলার ডাঙ্গীপাড়া ইউনিয়নে পতনডোবা গ্রামে গতকাল রাতে আনিসুর রহমান এর ভুট্টা ক্ষেতের কাঁচা ভুট্টা গুলো চুরি হয়ে যায়।

আনিসুর রহমান বলেন, আমার বর্গা নেওয়া জমি থেকে রফিকুল ইসলামসহ অজ্ঞাত কয়েক ব্যাক্তি ভুট্টা গুলো চুরি করে নিয়ে গেছে।তিনি সকালবেলা ওই ভুট্টা দেখতে গিয়ে দেখেন তার ভুট্টা চুরি হয়ে গেছে-তিনি ঐ গ্রামের জাহিরুল ইসলামের কাছ থেকে ওই জমিটি বর্গা নেন এক লক্ষ বিশ হাজার টাকা দিয়ে।

তিনি বলেন -ভুট্টা লাগানোর সময় জাহিরুলের বড় ভাই রফিকুল ইসলাম তাকে ভুট্টা লাগানো নিষেধ করেন এবং বিভিন্ন ধরনের হুমকি দেন যে ভুট্টা লাগালে সে ভুট্টা ভেঙ্গে নিয়ে যাবে।এই হুমকির বিষয়টি স্থানীয় লোকজন নিশ্চিত করেছেন।

গতরাতে ভুট্টা ভেঙ্গে নিয়ে যাই। বাদী হয়ে আনিসুর রহমান হরিপুর থানায়-রফিকুল ইসলামের অজ্ঞাত কয়েক জনের নামে একটি অভিযোগ দায়ের করেন
এদিকে বিবাদী রফিকুল ইসলাম ঘটনাটি অস্বীকার করেন-এবং বলেন এ বিষয়ে তিনি কিছু জানেন না ।

- Advertisement -

জনপ্রিয় সংবাদ

গরম খবর