হোম প্রচ্ছদ পৃষ্ঠা 22

টাঙ্গাইলে ২৩৪ কোটি টাকার গাইড বাঁধে ধস, ভাঙনের আশঙ্কায় হাজারো পরিবার

টাঙ্গাইলের বঙ্গবন্ধু সেতুর সোয়া কিলোমিটার দক্ষিণে কালিহাতী উপজেলার গোহালিয়াবাড়ী ইউনিয়নের বেলটিয়া ও হাটবাড়ী আলীপুর অংশে ৪টি লটে ভাগ করে ওই গাইড বাঁধ নির্মাণ করেছিল ৪টি ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান। সেই গাইড বাঁধের পাশে যমুনা নদীতে বড় বড় ড্রেজার বসিয়ে বালু লোড-আনলোড, উত্তোলন ও বিক্রির উদ্যোগ নেওয়ায় বাঁধ ভেঙে সরকারের কোটি কোটি টাকার প্রকল্প ভেস্তে যাওয়ার পাশাপাশি স্থানীয় শত শত পরিবারের বাড়িঘর নদীতে বিলীন হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

২০২১ সালে ওই স্থানের ৬-৭টি বাড়িঘর নদীগর্ভে চলে যায়। ২০২২ সালের বর্ষায় গাইড বাঁধের মাঝখানে ২-৩ জায়গায় ডেবে যায়। আবার ভাঙন আতঙ্কে এলাকাবাসী বালু উত্তোলন ও বাল্কহেড থেকে খালাস বন্ধে প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করছে।

বাপাউবো সূত্রে জানা যায়, বুড়িগঙ্গা নদী পুনরুদ্ধার (নিউ ধলেশ্বরী-পুংলী-বংশাই-তুরাগ-বুড়িগঙ্গা রিভার সিস্টেম) প্রকল্পের আওতায় বঙ্গবন্ধু সেতুর ভাটিতে নিউ ধলেশ্বরী নদীর মুখে (অফটেক) খনন ও ১৫৩০ মিটার গাইড বাঁধ নির্মাণ করে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড (বাপাউবো)। আর এই বাঁধটি নির্মাণ করতে ব্যয় হয় ২৩৪ কোটি ২৪ লাখ ৭৮ হাজার টাকা।

স্থানীয়রা জানায়, গাইড বাঁধ নির্মাণ হওয়ায় বেলটিয়া এলাকার নদীভাঙা মানুষ ঘর-বাড়ি নির্মাণ করে বসবাস করছে। দুই বছর আগে বেলটিয়ার অংশে ভাঙনের ফলে বিশালাকার পুকুর তৈরি হয়। ওই স্থানে প্রথমে জিও ব্যাগ ও সিমেণ্টের তৈরি ব্লক ফেলে ভাঙন রোধ করা হয়। পরে ভাঙনের ফলে কর্তৃপক্ষ প্রণীত নকশা পরিবর্তন করে চন্দ্রা কারে গাইড বাঁধ নির্মাণ করতে বাধ্য হয়।

এ ছাড়াও বর্ষা মৌসুমে যমুনা ক্ষেপে গেলে ওই স্থান দিয়ে পৃথক নদীমুখ বের করে নেওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এতে বেলটিয়া ও কুর্শাবেনু গ্রামের ২ হাজার পরিবার ভাঙনের শিকার হওয়ার আশঙ্কা সৃষ্টি হয়েছে। বর্তমানে ওই চন্দ্রাকার বাঁধের স্থানে বড় বড় ৫টি ড্রেজার মেশিন স্থাপন করায় নদী ভাঙনের আশঙ্কা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।

জানা যায়, বঙ্গবন্ধু সেতু-ঢাকা মহাসড়কে এলেঙ্গা থেকে বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্বপাড় গোলচত্বর পর্যন্ত সাড়ে ১৩ কিলোমিটার এলাকা চার লেনে উন্নীতকরণ প্রকল্পের কাজ করছে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান আব্দুল মোমেন লিমিটেড। ওই প্রকল্পের সড়ক প্রশস্তকরণে বালু-মাটি সরবরাহ করতে স্থানীয় একটি প্রভাবশালী মহল সাব-ঠিকাদারী নিয়েছেন। তাদের মধ্যে গোহালিয়াবাড়ী ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল হাই আকন্দ নেতৃত্ব দিচ্ছেন।

অংশীদারদের মধ্যে রয়েছেন-গোহালিয়াবাড়ী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি জহুরুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম (মেম্বার), বালু ব্যবসায়ী মাসুদ রানা, ৮ নম্বর (বেলটিয়া) ইউপি সদস্য মো. শাজাহান আলী, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান হযরত আলী তালুকদার, সাবেক ইউপি সদস্য সুলতান ফকির প্রমুখ। তারা যমুনা নদীর বাম তীরের বেলটিয়া অংশে বড় বড় ৫টি ড্রেজার ও ৩টি বাল্কহেড (বলগেট) এনে পাইপের ৪টি সারি প্রস্তুত করেছেন। আরও একটি প্রস্তুতের পর্যায়ে রয়েছে। ৩টি বাল্কহেডের মধ্যে একটিতে যমুনাগর্ভে ড্রেজার বসানোর জন্য স্টিলের পাইপ আনা হয়েছে। অন্যটি থেকে বালু খালাস করা হচ্ছে এবং অপরটি তীরে ভেড়ানো রয়েছে।

এ প্রসঙ্গে নাম প্রকাশ না করার শর্তে কয়েকজন অংশীদার জানান, গোহালিয়াবাড়ী ইউপি চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে সিরাজগঞ্জের তাপস ঠিকাদারের নেওয়া বালুঘাটে ৩০ লাখ টাকা দিয়ে অংশীদার হন তারা (উক্ত অংশীদাররা)। সেখান থেকে বাল্কহেডের মাধ্যমে বালু এনে বেলটিয়ায় খালাস করা হচ্ছে। ওই বালু আব্দুল মোনেম লিমিটেডের কাছে বিক্রি করার কথা রয়েছে।

এদিকে আলীপুর গ্রামের প্রবাসী হাতেম আলী জানান, যমুনায় তাদের বাড়ি দুই দফায় ভেঙে গেছে। নিউ ধলেশ্বরী নদীর মুখ বাঁধাই করায় তিনি ও তার দুই ভাই মফিজ উদ্দিন ও হাফেজ উদ্দিন যমুনার বেলটিয়া অংশে পৈত্রিক জমিতে নতুন বাড়ি করেছেন। তিনি দুই মেয়ে-এক ছেলে ও ভাইদের নিয়ে সেখানে বসবাস করছেন।

তিনি জানান, নদীর মুখে বাঁধ নির্মাণ করায় এ অঞ্চলের মানুষ বসবাসের নির্ভরতা খুঁজে পেয়েছে। এক কথায় বলতে গেলে সরকার বাঁধ নির্মাণ করে উপকার করেছে।

চরহামজানী গ্রামের শিক্ষক আব্দুল বাছেদ ও তার ভাই আব্দুল মালেক বেলটিয়ায় এসে বাড়ি নির্মাণ করেছেন। তারা জানান, নিউ ধলেশ্বরীর মুখে (অফটেক) বাঁধ নির্মাণ না হলে বেলটিয়ায় এসে বাড়ি করার কল্পনাও করা যেত না। বাঁধ নির্মাণ হওয়ায় তারা বাড়ি তৈরি করে পরিবার-পরিজন নিয়ে বসবাস করতে পারছেন।

তারা আরও জানান, যমুনা ক্ষেপে গিয়ে গত বছর বাঁধে ভাঙন দেখা দেওয়ায় তারা এমনিতেই শঙ্কিত। এর মধ্যে ড্রেজার বসালে বাঁধে ভাঙন সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা আরও বেড়ে যাবে।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, যমুনা নদীর বাম তীরে বেলটিয়া অংশে প্রকল্পের ১ নম্বর লটে ৪৫০ মিটার বাঁধ নির্মাণ করে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান ঢাকাস্থ এসএস ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড কনস্ট্রাকশন লিমিটেড এবং ২ নম্বর লটে ১৭৮ মিটার টার্নিংসহ ৩২৮ মিটার বাঁধ নির্মাণ করে ঢাকাস্থ এআরকেএল ও কিউএইচএমসিএল জয়েন্ট ভেঞ্চার কোম্পানি।

প্রকল্পের ১ নম্বর লটের ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের সাইট ম্যানেজার গৌতম দাস ও ২ নম্বর লটের ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের সাইট ম্যানেজার রুবায়েতুল ইসলাম তন্ময়সহ নদী শাসন সংশ্লিষ্ট প্রায় আধা ডজন প্রকৌশলী জানান, প্রমত্ত্বা যমুনার পেট চিরে জন্ম হওয়া নিউ ধলেশ্বরীর অফটেক বাঁধাই একটি যুগান্তকারী সাফল্য। এই সাফল্যের কৃতিত্ব বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের(বাপাউবো) সঙ্গে সঙ্গে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান ও স্থানীয় জনসাধারণেরও। গাইড বাঁধের ফলে যমুনার মূলস্রোত বাম তীর ঘেষে বইছে।

তাৎক্ষণিক সামান্য লাভের জন্য ড্রেজার বসিয়ে যমুনা থেকে বালু উত্তোলন বা বাঁধের উপর চর পড়ার আগেই বালু-মাটি লোড-আনলোড করা বাঁধের জন্য হুমকি। বর্ষায় প্রমত্ত্বা যমুনা ক্ষেপে গেলে তাকে নিয়ন্ত্রণ করা প্রায় অসম্ভব। বাঁধ ভেঙে গেলে স্থানীয় জনগোষ্ঠীর বাড়িঘর ও ফসলি জমিসহ সরকারের ২৩৪ কোটি টাকা নদীগর্ভে চলে যেতে পারে। এজন্য আগেই সতর্ক হওয়া জরুরি বলে তারা মতপ্রকাশ করেন।

এ প্রসঙ্গে গোহালিয়াবাড়ী ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য শাজাহান আলী জানান, বেলটিয়ায় তার বাড়ি হওয়ায় তাকে বালু সরবরাহে কিঞ্চিৎ অংশীদার রাখা হয়েছে। সিরাজগঞ্জের বালুমহাল থেকে বালু কিনে এনে মহাসড়কের মাটি ভরাট কাজে দেওয়ার কথা রয়েছে। যমুনা ক্ষেপে গেলে এমনিতেই ভাঙবে। যমুনার ভাঙন ঠেকানো সত্যিই দূরূহ বিষয়। গত বছর ড্রেজার বসানো বা বালু খালাসের কোনো বিষয় ছিল না তবুও গাইড বাঁধ ধসে গর্ত হয়েছিল। পরে তা মেরামত করা হয়েছিল।

তিনি আরও জানান, গাইড বাঁধ সম্পূর্ণ বালুর উপর নির্মাণ করা হয়েছে। কোনো কারণে বাঁধের নিচে গর্ত হয়ে পানি ঢুকলে পুরো বাঁধ ধ্বসে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

গোহালিয়াবাড়ী ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান হযরত আলী তালুকদার জানান, বেলটিয়া ও কুর্শাবেনু এলাকায় তাদের অনেক জমি-জমা আছে। জমির উপর দিয়ে পাইপ নিতে হয়। তাই তাকে কিঞ্চিৎ অংশের ভাগিদার রাখা হয়েছে। বাঁধের ক্ষতি হয় এমন কোনো কাজকে তিনি সমর্থন করবেন না।

উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. আনোয়ার হোসেন মোল্লা জানান, সিরাজগঞ্জ থেকে বালু এনে যমুনার বেলটিয়া অংশে আনলোড করা বা যমুনা থেকে বালু উত্তোলনের বিষয়ে তাকে কেউ জানায়নি। সরকারের কোটি কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত বাঁধ ক্ষতিগ্রস্ত হবে- এটা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। প্রশাসনের সংশ্লিষ্টরা এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেবেন এমনটাই প্রত্যাশা করেন তিনি।

অন্যদিকে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান ও বালু ব্যবসায়ীদের নেতা আব্দুল হাই আকন্দ জানান, তারা সিরাজগঞ্জের ঘাট থেকে বালু কিনে বাল্কহেডের মাধ্যমে এনে বেলটিয়ায় খালাস করছেন। ড্রেজার বসিয়ে যমুনার চর থেকে বালু আনার কোনো পরিকল্পনা তাদের নেই। তারা যাই করুক না কেন বাসেক ও স্থানীয় প্রশাসনকে অবহিত করেই করবেন।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার নাজমুল হুসেইন জানান, যমুনায় ড্রেজার বসিয়ে বালু উত্তোলনের কোনো তথ্য তার কাছে নেই। নিউ ধলেশ্বরী নদীতে ড্রেজার বসানোয় পুরোপুরি নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। মহাসড়ক প্রশস্তকরণে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান পাউবো’র উত্তোলিত বালু (ড্রেজড ম্যাটার) কিনেছে। মহাসড়ক চারলেনে উন্নীতকরণের কাজ বিশাল। তারা কোথা থেকে, কীভাবে মাটি-বালু এনে মহাসড়ক প্রশস্ত করবে-এটা উপর মহলের বিষয় তাই তিনি এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে পারেন না বলে জানান তিনি।

ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়ক চারলেনে উন্নীতকরণ প্রকল্পের ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান আব্দুল মোনেম লিমিটেডের প্রজেক্ট ম্যানেজার (পিএম) মো. আব্দুল আওয়াল জানান, মহাসড়ক প্রশস্তকরণে মাটি ভরাটের জন্য তারা টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসনের কাছ থেকে পাউবো কর্তৃক নিউ ধলেশ্বরীর উত্তোলিত বালু (ড্রেজড ম্যাটার) দরপত্রের মাধ্যমে কিনেছেন। এ ছাড়াও যমুনার চর থেকে বালু কেটে আনার নিমিত্তে তাদের অনুমতি রয়েছে। তবে তা বঙ্গবন্ধু সেতুর উজান ও ভাটির (কেপিআই) অঞ্চল থেকে আনা হবে কি-না তা তিনি বলতে পারেননি।

টাঙ্গাইল পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. সাজ্জাদ হোসেন জানান, গাইড বাঁধ ও এর আশপাশে ড্রেজিং সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। পাউবোর কোনো ড্রেজারও ওই এলাকায় নেই। কেউ ড্রেজার বসানোর চেষ্টা বা বাঁধের ক্ষতি করার চেষ্টা করলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তিনি আরও জানান, বুড়িগঙ্গা নদী পুনরুদ্ধার প্রকল্পের আওতায় বঙ্গবন্ধু সেতুর সোয়া কিলোমিটার দক্ষিণে ২৩৪ কোটি ২৪ লাখ ৭৮ হাজার টাকায় ১৫৩০ মিটার গাইড বাঁধ (অফটেক বাঁধাই) নির্মাণ করা হয়েছে। স্থানীয় জনসাধারণ বাঁধের সুফল ভোগ করতে শুরু করেছে।

এ ছাড়াও যমুনায় বঙ্গবন্ধু সেতুর উজানে ৬ কিলোমিটার ও ভাটিতে ৬ কিলোমিটার এলাকা বাসেকের বলে জানান পাউবোর এই প্রকৌশলী। এ প্রসঙ্গে তিনি জানান, নির্দিষ্ট ১২ কিলোমিটার নদী বাসেকের বঙ্গবন্ধু সেতু সাইট অফিস দেখভাল করবে।

বাসেকের বঙ্গবন্ধু সেতু সাইট অফিসের নির্বাহী প্রকৌশলী আহসানুল কবীর পাভেল জানান, বঙ্গবন্ধু সেতুর উজানে ৬ ও ভাটিতে ৬ এই ১২ কিলোমিটার এলাকা কেপিআই হিসেবে চিহ্নিত। এই এলাকার মধ্যে ড্রেজার বসানো সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। কেউ ড্রেজার বসানো বা বালু উত্তোলনের চেষ্টা করলে কঠোর হস্তে দমন করা হবে। লোড-আনলোড করার বিষয়টি তার জানা নেই। এ বিষয়ে কেউ তার সাথে কোনো আলোচনা করেনি। মহাসড়কে বালু দেওয়ার জন্য লোড-আনলোড করে থাকলে বিষয়টি পাউবো বা স্থানীয় প্রশাসন দেখবে। তাছাড়া গাইড বাঁধের ক্ষতি হবে-এমন কাজ কাউকেই করতে দেওয়া হবে না।

এ ব্যাপারে টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক জসীম উদ্দীন হায়দার জানান, কোন কারণেই গাইড বাঁধের ক্ষতি এবং মানুষের জান-মালের ক্ষয়ক্ষতি করা যাবে না। যমুনায় ড্রেজার বাসানো ও লোড-আনলোডের বিষয়টি তিনি খোঁজ-খবর নিয়ে ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। তবে বাঁধের বিষয়ে তিনি তাৎক্ষণিকভাবে সংশ্লিষ্টদের সতর্ক থাকার নির্দেশনা দিয়েছেন।

টাঙ্গাইলে হজযাত্রীদের মেডিকেল চেকআপ ফ্রি করলেন ডিসি

টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক জসীম উদ্দীন হায়দারের হস্তক্ষেপে জেলার হজযাত্রীদের মেডিকেল চেকআপ ফ্রি করে দিয়েছে বেসরকারি একটি ক্লিনিক। গত ১ মে থেকে হজযাত্রীদের ফ্রিতে মেডিকেল চেকআপ করানো হচ্ছে।

জেলা প্রশাসক কার্যালয় সূত্র জানায়, এ বছর সরকারিভাবে ১৭০ জন ও বেসরকারিভাবে এক হাজার ১৩১ জন হজ করতে সৌদি আরব যাবেন। হজযাত্রীদের পক্ষ থেকে চেকআপ ফি কমানোর জন্য জেলা প্রশাসক বরাবর আবেদন করা হয়।

সেই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে জেলা প্রশাসক জসীম উদ্দীন হায়দার, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. ওলিউজ্জামান, সিভিল সার্জন ডা. মো. মিনহাজ উদ্দিন মিয়া, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উপপরিচালক মোহাম্মদ আলী সভা করেন। পরে জেলা প্রশাসকের পক্ষে সোনিয়া ক্লিনিকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আবুল কাশেমের কাছে বিষয়টি জানানো হয়। পরে তিনি জেলা প্রশাসক ও হজযাত্রীদের সম্মানে জেলার সব হজযাত্রীদের ফ্রিতে মেডিকেল চেকআপ করার ঘোষণা দেন।

হজযাত্রীদের বেসরকারি ক্লিনিক থেকে মেডিকেল চেকআপ করতে দুই হাজার টাকার মতো খরচ হয়।

এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক জসীম উদ্দীন হায়দার বলেন, ইতোপূর্বে হজযাত্রীদের কখনই মেডিকেল চেকআপ ফ্রি দেওয়া হয়নি। তারা চেকআপ করতে এসে কষ্ট ও হয়রানিতে পড়তেন। এতে অনেক ক্লিনিকের বদনাম রয়েছে।

হজযাত্রীদের প্রতি সহানুভূতি এবং ক্লিনিক থেকে ভালো সেবা পেতে পারে সেজন্য কয়েক ক্লিনিক মালিকের সঙ্গে কথা বলা হয়। এদের কেউ কেউ কমে চেকআপ করতে চাইলেও সোনিয়া ক্লিনিকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফ্রিতে করার ঘোষণা দেন।

কুষ্টিয়ায় ৭৪০ পিচ ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট ১টি মোটরসাইকেল ও নগদ টাকাসহ ০৩ জন আসামী গ্রেফতার

বুধবার (০৫ মে, ২০২৩খ্রিঃ) তারিখে জনাব মোঃ খাইরুল আলম, সুযোগ্য পুলিশ সুপার, কুষ্টিয়া মহোদয়ের নির্দেশে জনাব মোঃ আবু রাসেল, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, সদর সার্কেল, কুষ্টিয়া এর সার্বক্ষণিক তদারকি ও দিক নির্দেশনায় জনাব মোঃ শাহাদৎ হোসেন, অফিসার ইনচার্জ, কু্ষ্টিয়া মডেল থানা, কুষ্টিয়া’র সহযোগিতায় এসআই(নিঃ)/সুফল সরকার, কুষ্টিয়া মডেল থানা, কুষ্টিয়া সঙ্গীয় অফিসার ফোর্সের সমন্বিত প্রচেষ্টায় মাদক ব্যবসায়ী ১. মোঃ ইমরান হোসেন চঞ্চল (৩৫), পিতা-মোঃ বাবুল মোল্লা, সাং-কালিশংকরপুর ড. আইনুদ্দিন সড়ক) , ২. মোঃ সাকিব (২৩), পিতা-মৃত মহিদুল ইসলাম, সাং-কালিশংকরপুর, ৩. মোঃ ইউসুফ আলী (৬৩), পিতা-মৃত ময়েজ উদ্দিন মন্ডল, সাং-মঙ্গলবাড়ীয়া, সর্ব থানা ও জেলা-কুষ্টিয়াদেরকে (ক) ৭৪০(সাতশত চল্লিশ) পিচ ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট, ০১টি লাল কালো রংয়ের YAMAHA FZ-S পুতরান ব্যবহৃত মোটরসাইকেল এবং মাদক বিক্রয়লব্ধ নগদ ২৯,০০০/-(উনত্রিশ হাজার) টাকা ধৃত আসামী নিজ হাতে বাহির করিয়া দেওয়া সহ গ্রেফতার পূর্বক নিয়মিত মামলা রুজু করা হয়। পরবর্তীতে আসামীগণদের বিরুদ্ধে কুষ্টিয়া সদর থানার মামলা নং-০৫, তারিখ-০৩/০৫/২০২৩, ধারা-৩৬(১) সারিণর ২৯(ক)/৪১/৩৮ মাদকব নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮; রুজু করা হয়। এলাকার সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার্থে চলমান অভিযান অব্যাহত আছে।

মে দিবসে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সাংবাদিক ইউনিয়নের আলোচনা সভা 

মহান মে দিবস ও আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবসে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সাংবাদিক ইউনিয়নের আলোচনা সভা

মহান মে দিবস ও আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস উপলক্ষে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (০১ মে) বেলা ১১টায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া সাংবাদিক ইউনিয়নের উদ্যোগে মসজিদ রোডস্থ ভূইয়া ম্যানশনে নিজস্ব কার্যালয়ে এই আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। 

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি দীপক চৌধুরী বাপ্পির সভাপতিত্বে সম্মানিত অতিথি ছিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেস ক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক জাবেদ রহিম বিজন।

আলোচনা সভার শুরুতেই স্বাগত বক্তব্য রাখেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মো. মনির হোসেন। 

যুগ্ম সম্পাদক ফরহাদুল ইসলাম পারভেজের সঞ্চালনায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন কোষাধ্যক্ষ আজিজুল আলম সঞ্চয়, প্রতিদিনের সংবাদের জেলা প্রতিনিধি মুজিবুর রহমান খান, জিটিভির জেলা প্রতিনিধি জহির রায়হান, বৈশাখী টিভির জেলা প্রতিনিধি  আল মামুন, জাগোনিউজের জেলা প্রতিনিধি আবুল হাসনাত মো. রাফি, সামিউল হক, দ্য ফ্রন্টিয়ারের বার্তা সম্পাদক রুদ্র মুহম্মদ ইদ্রিস, সাংবাদিক শাহাদাৎ হোসেন সোহেল প্রমূখ। 

এসময় বক্তারা বলেন, আধুনিকতার ছোয়ায় সংবাদ কর্মীদের কাজের পরিধি বেড়েছে৷ কিন্তু আগের মতোই জেলায় কর্মরত জাতীয় মিডিয়ার প্রতিনিধিদের বেতন বৈষম্য রয়ে গেছে। এসময় বক্তারা স্থানীয় ও জাতীয় দৈনিকে কর্মরত কর্মীদের শ্রম অধিকার আদায়ে কিছু দাবি উত্থাপন করেন। 

দাবি গুলো হচ্ছে, জেলার স্থানীয় দৈনিক ও অনলাইনে কর্মরত কর্মীদের নিয়োগপত্র প্রদান, সাপ্তাহিক ছুটি ও সকল উৎসবে ভাতা প্রদানের দাবি। ছাড়াও জেলায় কর্মরত জাতীয় মিডিয়ার প্রতিনিধিদের ৯ম ওয়েজবোর্ড অনুযায়ী বেতন-ভাতা প্রদানের দাবি করেন বক্তারা। 

হরিপুরে রাতের আধারে কৃষকের ভুট্টা ভাঙ্গে নিয়ে গেল দুর্বৃত্তরা

হরিপুরে রাতের আধারে ভুট্টা ভাঙ্গে নিয়ে গেল দুর্বৃত্তরা ।

হরিপুর(ঠাকুরগাঁও)প্রতিনিধি: ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুরে রাতের আঁধারে আনিসুর রহমান নামে এক কৃষক এর ভুট্টা ক্ষেত থেকে ভুট্টা ভেঙ্গে নিয়ে গেছে দুর্বৃত্তরা।

ঘটনাসুত্রে রানা যায়, উপজেলার ডাঙ্গীপাড়া ইউনিয়নে পতনডোবা গ্রামে গতকাল রাতে আনিসুর রহমান এর ভুট্টা ক্ষেতের কাঁচা ভুট্টা গুলো চুরি হয়ে যায়।

আনিসুর রহমান বলেন, আমার বর্গা নেওয়া জমি থেকে রফিকুল ইসলামসহ অজ্ঞাত কয়েক ব্যাক্তি ভুট্টা গুলো চুরি করে নিয়ে গেছে।তিনি সকালবেলা ওই ভুট্টা দেখতে গিয়ে দেখেন তার ভুট্টা চুরি হয়ে গেছে-তিনি ঐ গ্রামের জাহিরুল ইসলামের কাছ থেকে ওই জমিটি বর্গা নেন এক লক্ষ বিশ হাজার টাকা দিয়ে।

তিনি বলেন -ভুট্টা লাগানোর সময় জাহিরুলের বড় ভাই রফিকুল ইসলাম তাকে ভুট্টা লাগানো নিষেধ করেন এবং বিভিন্ন ধরনের হুমকি দেন যে ভুট্টা লাগালে সে ভুট্টা ভেঙ্গে নিয়ে যাবে।এই হুমকির বিষয়টি স্থানীয় লোকজন নিশ্চিত করেছেন।

গতরাতে ভুট্টা ভেঙ্গে নিয়ে যাই। বাদী হয়ে আনিসুর রহমান হরিপুর থানায়-রফিকুল ইসলামের অজ্ঞাত কয়েক জনের নামে একটি অভিযোগ দায়ের করেন
এদিকে বিবাদী রফিকুল ইসলাম ঘটনাটি অস্বীকার করেন-এবং বলেন এ বিষয়ে তিনি কিছু জানেন না ।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় তিতাস নদীর ভিতর থেকে পুকুর অপসারণ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় তিতাস নদীতে গর্ভেস্থ অবৈধ পুকুর অপসারণ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় তিতাস নদীতে অবৈধ পুকুর অপসারণ। শনিবার ২৯ এপ্রিল শহরের শ্মশানঘাট অংশে তিতাস নদীর ভিতরে অবৈধভাবে নদী গর্ভেস্থ দখল করে মাটি ফেলে ভরাট করা পুকুরটি উচ্ছেদ অভিযানে অপসারণ করা হয়েছে।

গত ৫ এপ্রিল জাতীয় নদী রক্ষা কমিশনের চেয়ারম্যান মো. মঞ্জুর আহমেদ চৌধুরী পরিদর্শনের সময় বিষয়টি নজরে আসলে তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রশাসক মো. শাহগীর আলমকে নির্দেশ করেন তা উচ্ছেদ করার জন্য। তারই প্রেক্ষিতে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলা ভূমি কর্মকর্তা মোহাম্মদ মোশারফ হোসেন দিনব্যাপী এ উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করেছেন।

এ সময় নদী ও প্রকৃতি সুরক্ষা সামাজিক আন্দোলন তরী’র আহবায়ক শামীম আহমেদ, খালেদা মুন্নী, আবদুল হেকীম ও সোহেল আহাদ উপস্থিত ছিলেন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিজয়নগর উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থীর বাড়িতে হামলা

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ চলাকালে স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী নাছিমা মুকাই আলীর বাসভবনে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার বেলা সোয়া ২টার দিকে জেলা সদরের হালদারপাড়ায় লুৎফর রহমান টাওয়ারে এ হামলা হয়, যেখানে নাছিমা মুকাই আলী বসবাস করেন। তিনি অভিযোগ করেছেন যে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী তানভীর ভূঁইয়ার সমর্থকরা এ হামলা চালিয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দুপুরে কয়েকজন যুবক লুৎফর টাওয়ারে হামলা চালিয়ে বেশ কয়েকটি গাড়ি ভাঙচুর করে এবং একটি মোটরসাইকেলে আগুন ধরিয়ে দেয়। নাছিমা মুকাই আলী অভিযোগ করেন যে হামলাকারীরা তার বাড়িতে ঢুকে স্বর্ণালঙ্কার ও নগদ টাকা লুট করেছে। তিনি আরও জানান, আশপাশের লোকজন এ ঘটনার ভিডিও ধারণ করেছে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ সেলিম উদ্দিন জানান, হামলার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। তিনি বলেন, কারা এ হামলা চালিয়েছে তা তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আগামীকাল বিজয়নগর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ

নির্বাচন

বিজয়নগর প্রতিনিধি: ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর উপজেলায় আগামীকাল অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে পঞ্চম উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের শেষ ধাপের ভোটগ্রহণ। চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান এবং নারী ভাইস চেয়ারম্যান পদে মোট দশজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন আওয়ামী লীগের প্রার্থী মো. তানবীর ভূঁইয়া (প্রতীক নৌকা), স্বতন্ত্র প্রার্থী নাছিমা মুকাই আলী (প্রতীক ঘোড়া), সৈয়দ মাঈনুদ্দিন আহাম্মদ (প্রতীক আনারস), ফজলুল হক (প্রতীক মোটরসাইকেল) এবং মোসাহেদ হোসেন (প্রতীক দোয়াত-কলম)।

ভাইস চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন মাহমুদুর রহমান মান্না (চশমা), মৃণাল কান্তি চৌধুরী (মাইক), এবং মো. মোখলেছুর রহমান লিটন (টিউবওয়েল)।

নারী ভাইস চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ফয়জুন নাহার টুনি (হাঁস) ও সাবিত্রী রানী (কলস)।

নির্বাচন কমিশন এবং প্রশাসনের পক্ষ থেকে ভোটগ্রহণের সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। এখানে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) ব্যবহার করে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে, যা সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত চলবে। উপজেলাজুড়ে ৬৩টি ভোট কেন্দ্রের ৪৬৫টি ভোটকক্ষে ইভিএম এর মাধ্যমে ভোট গ্রহণ করা হবে। প্রতিটি কেন্দ্রে ইভিএম এক্সপার্ট হিসেবে সেনা সদস্যরা নিয়োজিত থাকবেন।

বিজয়নগর উপজেলার মোট ভোটার সংখ্যা এক লাখ ৭১ হাজার ৩৬৩ জন, যার মধ্যে পুরুষ ভোটার ৮৭ হাজার ৪৯০ জন এবং নারী ভোটার ৮৩ হাজার ৮৭৩ জন।

বিজয়নগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এবং সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা মেহের নিগার জানান, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটগ্রহণ নিশ্চিত করতে প্রশাসন সব ধরনের প্রস্তুতি নিয়েছে।

তিনি আরও জানান, নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ৫৪৫ পুলিশ, প্রতিটি কেন্দ্রে ১২ জন করে ৭৫৬ আনসার সদস্য, ২০ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, ১১ প্লাটুন বিজিবি এবং র‌্যাবের ছয়টি টিম দায়িত্ব পালন করবে। এছাড়াও নির্বাচন পর্যবেক্ষণে কমিশনের পর্যবেক্ষক এবং টেকনিক্যাল এক্সপার্টরা উপস্থিত থাকবেন।

- Advertisement -

জনপ্রিয় সংবাদ

গরম খবর