ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) কাজী তাহমিনা সারমিনের প্রত্যাহার দাবি করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। বুধবার দুপুরে আশুগঞ্জ প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানানো হয়।
এনসিপির উপজেলা প্রধান সমন্বয়কারী আমিনুল ইসলাম ডালিম লিখিত বক্তব্যে অভিযোগ করেন, ৫ আগস্টের পর উপজেলা ভূমি কার্যালয়ের পাশে ‘মীর মুগ্ধ চত্বরে’ শহীদদের স্মরণে মিলাদ ও দোয়া মাহফিলের প্রস্তুতিতে এসি ল্যান্ড বাধা দেন। তিনি দাবি করেন, অনুষ্ঠানটি পূর্ব অনুমতির ভিত্তিতে আয়োজন করা হচ্ছিল, তবে ওই কর্মকর্তা অনুষ্ঠান বন্ধের চেষ্টা করেন এবং পক্ষপাতমূলক আচরণ করেছেন।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক আশরাফ মাহাদী, দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য যুগ্ম আহ্বায়ক মো. আতাউল্লাহ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সমন্বয়কারী আজিজুর রহমান লিটন, যুগ্ম সমন্বয়কারী আকিব জাবেদসহ স্থানীয় নেতারা।
এর আগে মঙ্গলবার বিকেলে আশুগঞ্জ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন এসি ল্যান্ড কাজী তাহমিনা সারমিন। জিডিতে তিনি অভিযোগ করেন, এনসিপির নেতারা অবৈধভাবে ভূমি কার্যালয়ের বেষ্টনী ভাঙার চেষ্টা করেছেন, অনুমতি ছাড়া অনুষ্ঠান করেছেন এবং তাঁকে বদলির হুমকি দিয়েছেন।
এনসিপি নেতাদের দাবি, তারা মৌখিক অনুমতি নিয়েই শহীদদের স্মরণে দোয়া মাহফিল করেছেন এবং কোনো ভাঙচুর বা হুমকির ঘটনা ঘটেনি।
অভিযোগের বিষয়ে কাজী তাহমিনা সারমিন বলেন, “তারা অনুষ্ঠান আয়োজনের কোনো লিখিত অনুমতি নেননি। উল্টো অসৌজন্যমূলক আচরণ করেছেন ও বদলির হুমকি দিয়েছেন।” তিনি জানান, ৫ আগস্টের পর দপ্তরে নিরাপত্তার জন্য অস্থায়ী টিনের বাউন্ডারি দেওয়া হয়েছিল এবং এ ঘটনার সঙ্গে ম্যুরাল ভাঙচুরের কোনো সম্পর্ক নেই।
সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নে এনসিপি নেতারা অনুমতি প্রসঙ্গে সরাসরি কোনো উত্তর দেননি। তবে জেলা সমন্বয়কারী আজিজুর রহমান বলেন, “আমরা শহীদদের জন্য দোয়া মাহফিল করেছি, এর জন্য অনুমতির দরকার আছে বলে মনে করি না।”












