হোম প্রচ্ছদ পৃষ্ঠা 4

ঠাকুরগাঁও-২ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন নিলেন সুমন

BD News

হরিপুর (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধিঃ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঠাকুরগাঁও-২ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন মো. সুমন। শনিবার দুপুরে তার পক্ষে সমর্থকরা মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেন। বিষয়টি নিজেই নিশ্চিত করেছেন মো. সুমন।

ঠাকুরগাঁও জেলার বালিয়াডাঙ্গী ও হরিপুর উপজেলা এবং রাণীশংকৈল উপজেলার দুটি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত ঠাকুরগাঁও-২ আসন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী মো. সুমন ২০১৮ সাল থেকে ছাত্র রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। ওই বছর কোটা আন্দোলন, সড়ক আন্দোলন ও অধিভুক্ত বাতিল আন্দোলনসহ বিভিন্ন আন্দোলনে তিনি সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন।

সর্বশেষ জুলাই অভ্যুত্থানে তিনি সম্মুখসারির ছাত্র নেতাদের একজন ছিলেন। আন্দোলন চলাকালে বুয়েট ক্যাম্পাস এলাকায় রাবার বুলেটে আহত হন তিনি। পরে ২৩ জুলাই শাহবাগ এলাকা থেকে পুলিশ তাকে আটক করে। আন্দোলনের সময় পলিসি মেকিং, খাবার ও রসদ সরবরাহসহ ৪ আগস্ট ঢাকায় প্রায় পাঁচ হাজার আন্দোলনকারীর থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা করেন তিনি। এসব কর্মকাণ্ডের কারণে সে সময় প্রশাসনের নজরদারিতে আসেন বলে জানা যায়।

৫ আগস্ট সরকার পতনের পরপরই নির্বাচনে অংশগ্রহণের ঘোষণা দেন সুমন। পরবর্তী সময়ে ঠাকুরগাঁও-২ আসনে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা মোকাবিলায় মোরাল পুলিশিং কার্যক্রমে যুক্ত হন তিনি এবং আইনশৃঙ্খলা কমিটির সঙ্গেও কাজ করেন।

২০২০ সাল থেকে ঠাকুরগাঁও জেলাকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন উন্নয়নমূলক ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত রয়েছেন সুমন। অসহায় রোগীদের চিকিৎসা সহায়তা, শিক্ষাবৃত্তি প্রদান, করোনাকালে পাঁচ হাজারের বেশি পরিবারকে ত্রাণ বিতরণ, প্রতিবছর শীতবস্ত্র ও কম্বল বিতরণসহ নানা সামাজিক কার্যক্রমে তার সম্পৃক্ততার কথা জানান সংশ্লিষ্টরা।

নির্বাচনে অংশগ্রহণ প্রসঙ্গে মো. সুমন বলেন, তরুণরা দেশকে একটি সংকটময় পরিস্থিতি থেকে বের করে এনে নির্বাচনের সুযোগ তৈরি করেছে। দেশের পাঁচ কোটি তরুণের পক্ষে সংসদে কথা বলার মতো একজন প্রতিনিধির প্রয়োজন রয়েছে। তিনি বলেন, দীর্ঘ ৪০ বছর ধরে এই আসনটি অবহেলিত ছিল। ঠাকুরগাঁও-২ আসনের মানুষের আর্থসামাজিক উন্নয়ন, চিকিৎসাসেবা নিশ্চিতকরণ, অবকাঠামোগত উন্নয়ন, অর্থনৈতিক সমতা এবং বৈষম্যহীন সমাজ গঠনের লক্ষ্য নিয়ে তিনি কাজ করতে চান।

তিনি আরও বলেন, দীর্ঘদিনের অচলায়তন ভেঙে এলাকার জনগণ তাকে সংসদে তাদের কণ্ঠস্বর হিসেবে নির্বাচিত করবেন—এই আশাবাদ তার রয়েছে। উল্লেখ্য, ঠাকুরগাঁও-২ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা প্রায় ৩ লাখ ৪০ হাজার। এ আসনে এখন পর্যন্ত ছয়টি রাজনৈতিক দলের মনোনীত প্রার্থীরা মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় দ্বিতীয়বারের মতো আইটি প্রফেশনালদের মিলনমেলা, BITC মিটআপ ২০২৫ অনুষ্ঠিত

BITC Meetup 2025

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় দ্বিতীয়বারের মতো আইটি প্রফেশনালদের মিলনমেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। Brahmanbaria IT Community (BITC)-এর উদ্যোগে আয়োজিত এই মিটআপটি ২৬ ডিসেম্বর The Cuisine Restaurant-এ অনুষ্ঠিত হয়। এতে জেলার বিভিন্ন পর্যায়ের আইটি প্রফেশনাল, ফ্রিল্যান্সার, উদ্যোক্তা ও চাকরিজীবীরা অংশগ্রহণ করেন।

মিটআপটি আয়োজন করেন শিপন কর্মকার। আয়োজনে পূর্ণ সহযোগিতায় ছিলেন আশরাফুল আমিন। এই আয়োজনে প্রায় ৪০ জন আইটি প্রফেশনাল অংশগ্রহণ করেন। অনুষ্ঠানটি মূলত নেটওয়ার্কিং, পরিচিতি বৃদ্ধি এবং আইটি সেক্টরে পারস্পরিক সহযোগিতা জোরদার করার লক্ষ্যে আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানের শুরুতে পরিচয় পর্ব অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে অংশগ্রহণকারীরা নিজেদের কাজ, অভিজ্ঞতা এবং আইটি সেক্টরে যাত্রার গল্প তুলে ধরেন। এরপর আলোচনা পর্বে বক্তব্য রাখেন শিপন কর্মকার, শামিম মিয়া, আবুল বাসার, তানভিরুল হকসহ আরও অনেকে।

Shipon Karmakar

শিপন কর্মকার তার বক্তব্যে বলেন, “আমাদের এই আইটি কমিউনিটির মূল লক্ষ্য হলো একে অপরকে সহযোগিতা করা, যেন সবাই আইটি-সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় সহায়তা পায়। আমার স্বপ্ন—একদিন ব্রাহ্মণবাড়িয়া বাংলাদেশের একটি আইটি ক্যাপিটাল সিটি হিসেবে পরিচিত হবে। এটি সম্ভব তখনই, যখন আমরা সবাই উদারভাবে একে অপরকে সহযোগিতা করবো।”

তানভিরুল হক আইটি-সংক্রান্ত জব প্রিপারেশন নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা দেন। শামিম মিয়া আলোচনা করেন কীভাবে একটি আইটি স্টার্টআপ কোম্পানি গড়ে তোলা যায়। আবুল বাসার কথা বলেন রিমোট জব করার সুযোগ, প্রস্তুতি এবং বাস্তব অভিজ্ঞতা নিয়ে। এমদাদুল হক জুয়েল আলোচনা করেন একটি ভালো অফিস এনভায়ারমেন্ট ও টিম কালচারের গুরুত্ব নিয়ে।

আলোচনার মাঝেই অংশগ্রহণকারীদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হয়, যা অনুষ্ঠানটিকে আরও প্রাণবন্ত করে তোলে। পরে গ্রুপ ফটো সেশন অনুষ্ঠিত হয় এবং শুরু হয় রাতের ডিনার ও নেটওয়ার্কিং পর্ব।

সবশেষে UnivaHost ( ZendForce LLC ) ও ShapedPlugin-এর পক্ষ থেকে একটি কুইজ সেশন আয়োজন করা হয়। কুইজে বিজয়ীদের জন্য টি-শার্ট, ব্যাগ, হোস্টিংসহ বিভিন্ন আকর্ষণীয় উপহার প্রদান করা হয়।

মিটআপে অংশগ্রহণকারীরা

মেহরাজ খান, আশরাফুল আমিন, সিরাতুল মুস্তাকিম, রুহুল আমিন, মিনহাজ আহমেদ রোহান, ফয়সাল আহমেদ, মোস্তফা হোসাইন, সাইম আলম, আরিফ রহমান, ফজলে রাব্বি, আজিম জামশেদ, উদয় জামশেদ, রেজওয়ান আহমেদ, মো: ফাহিম, মানিক দেবনাথ, এহ্ জুয়েল, ইসমাইল হোসাইন, জসিম উদ্দিন, রাজ্জি, মোহাম্মদ মোশাররফ, এসএ সম্রাট, আবুল বাশার, আরাফাত মিয়া, কামাল হোসাইন, মাসুম, নাসিম মিয়া, সাফওয়ান আহমেদ, এসএম সানি, রঞ্জন দাস, তানভিরুল হক, শামীম মিয়া, রুবেল মিয়া, মো: খলিল উদ্দিন, মো: আকরাম হোসেন, শিপন কর্মকার, তামিম হোসেন আরাবি, অভিলাষ সেন, মোহাম্মদ সালমান

অনুষ্ঠানের সমাপনী বক্তব্যে শিপন কর্মকার বলেন, “প্রতিবছর এ ধরনের আয়োজন হলে সবাই সবার সঙ্গে পরিচিত হতে পারবে, আইটি খাতে কাজের সুযোগ তৈরি হবে এবং কমিউনিটি আরও শক্তিশালী হবে।”

সবশেষে ধন্যবাদ জ্ঞাপনের মাধ্যমে সফলভাবে অনুষ্ঠানটির সমাপ্তি ঘটে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মাদকবিরোধী সভা: মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে জোরালো উদ্যোগ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ঐক্যবদ্ধ সদর উদ্যোগে মাদকবিরোধী আলোচনা সভা
ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলওয়ে স্টেশন প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত মাদকবিরোধী আলোচনা সভার একাংশ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মাদকবিরোধী সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে ঐক্যবদ্ধ সদর ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আয়োজনে এবং মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সহযোগিতায়।

আজ মঙ্গলবার বেলা ১১টায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলওয়ে স্টেশন প্রাঙ্গণে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন ঐক্যবদ্ধ সদর ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পরিচালনা পরিষদের সদস্য সাবের হোসাইন

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ঐক্যবদ্ধ সদর ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পরিচালনা পরিষদের সদস্য শেখ আরিফ বিল্লাহ আজিজী

প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, ব্রাহ্মণবাড়িয়া — এহসানুর রহমান ভূঁইয়া
প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক — সাজেদুল হাসান

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন—
আলাউদ্দিন আহমেদ, ইনচার্জ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর থানা ২ নম্বর পুলিশ ফাঁড়ি;
রফিকুল ইসলাম, ইনচার্জ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলওয়ে পুলিশ ফাঁড়ি;
এবং শাকিল ইসলাম, রেলওয়ে স্টেশন মাস্টার।

এছাড়াও বক্তব্য রাখেন বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধিবৃন্দ—
শামীম আহমেদ, আহবায়ক, তরী বাংলাদেশ;
সাদিকুল ইসলাম, সভাপতি, নিরাপদ সড়ক চাই ব্রাহ্মণবাড়িয়া;
আতিকুর রহমান আপেল, হারিস আহমেদ, আলমগীর হোসেন সাগর,
মাওলানা দেলোয়ার হোসেন মাহাদী, এডভোকেট জুবায়ের শাওন,
পলি আক্তার, কানিজ ফাতেমা কনিকা, আবরারুল হক সিরাজী প্রমুখ।

বক্তারা মাদকের ক্ষতিকর প্রভাব তুলে ধরে মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে সম্মিলিত উদ্যোগের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

তরী বাংলাদেশের আয়োজনে ‘মুক্তিযুদ্ধ ও বাংলাদেশের নদ-নদী’ শীর্ষক আলোচনা সভা

মুক্তিযুদ্ধ

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি:
বিজয়ের মাস ও মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে নদী ও প্রকৃতি সুরক্ষা সামাজিক আন্দোলন ‘তরী বাংলাদেশ’-এর উদ্যোগে ‘মুক্তিযুদ্ধ ও বাংলাদেশের নদ-নদী’ শীর্ষক এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাব মিলনায়তনে আয়োজিত এ আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মুক্তিযোদ্ধা জেলা কমান্ড, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা হাজী সৈয়দ এমরানুর রেজা। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন তরী বাংলাদেশের আহ্বায়ক শামীম আহমেদ

জাতীয় সংগীত, পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত ও গীতা পাঠের মাধ্যমে আলোচনা সভার সূচনা হয়। সোহেল রানা ভূইয়া-র সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন তরী বাংলাদেশ আহ্বায়ক কমিটির সদস্য খালেদা মুন্নী

প্রধান অতিথির বক্তব্যে বীর মুক্তিযোদ্ধা হাজী সৈয়দ এমরানুর রেজা বলেন, তৎকালীন সময়ে নদীগুলো না থাকলে মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতা সংগ্রাম আরও দীর্ঘায়িত হতো। প্রকৃতির দান নদ-নদীর কারণে আমরা সহজেই স্বাধীনতা অর্জন করতে পেরেছি। তাই এই দেশকে বাঁচিয়ে রাখতে হলে আমাদের নদ-নদী ও খাল-জলাশয় রক্ষা করতেই হবে।

আলোচনা সভায় উপস্থিত বীর মুক্তিযোদ্ধা, সাংবাদিক ও শিক্ষানুরাগীরা মুক্তিযুদ্ধ ও নদীকে ঘিরে তাঁদের স্মৃতি ও অনুভূতি ব্যক্ত করেন। বক্তারা নদী রক্ষার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, সারা দেশে নদী-খাল ও নৌপথগুলো সচল থাকলে যোগাযোগ ব্যবস্থায় ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে, জনভোগান্তি কমবে এবং পণ্য পরিবহনের খরচ হ্রাস পাবে।

সভাপতির বক্তব্যে শামীম আহমেদ বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধে নদীগুলো আমাদের যেভাবে সহযোগিতা করেছে, বর্তমান ও ভবিষ্যৎ বাংলাদেশকেও সেভাবেই সহযোগিতা করতে পারবে—যদি আমরা নদী, খাল ও জলাশয় রক্ষা করতে পারি। তরী বাংলাদেশ জনসচেতনতা সৃষ্টির মাধ্যমে দেশের নদী-খাল ও জলাশয় রক্ষায় কাজ করে যাচ্ছে।

আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য রাখেন বীর মুক্তিযোদ্ধা মকবুল হোসেন, এম. ওয়াসেল সিদ্দিকী, আছরারুন নবী মোবারক, প্রফেসর হুমায়ুন কবির খান, ফসিউর রহমান হাসান, জয়নাল আবেদীন, পৌর ডিগ্রি কলেজের গভর্নিং কমিটির সভাপতি এবিএম মমিনুল হক, ব্রাহ্মণবাড়িয়া টেলিভিশন জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি আল আমিন শাহীন, এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাবের সাবেক সহ-সভাপতি সৈয়দ মো. আকরাম

এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হামিদ, হারাধন বিশ্বাস, প্রদীপ কুমার পালমতিউর রহমানসহ বিভিন্ন প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক ও অনলাইন মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন খেলাঘরের সাধারণ সম্পাদক নীহার রঞ্জন সরকার, অঙ্কুর শিশু-কিশোর সংগঠনের সভাপতি আনিসুল হক রিপন, ঐতিহ্য কুমিল্লার সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম ইমরুল, জেলা শিল্পকলা একাডেমির প্রশিক্ষক সাগর আহমেদ

তরী বাংলাদেশের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন সুশান্ত পাল, খাইরুজ্জামান ইমরান, হৃদয় কামাল, মোহাম্মদ মাহবুব খান, সাদেকুল ইসলাম ভূইয়া, আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ, রিফাত ভূইয়া, জোবায়দুর রহমান মেহেদী, আব্দুল হেকিম, শাকিল আহমেদ, ইঞ্জিনিয়ার রিপন চক্রবর্তী, তাসিন আরাফাত তন্ময়, মনির হোসেন, ঐক্যবদ্ধ সদর ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সদস্য সাবের হোসেন এবং শেখ আরিফ বিল্লাহ আজিজী

আলোচনা সভায় মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক কবিতা আবৃত্তি করেন তিতাস আবৃত্তি সংগঠনের শিল্পী ফাহিমা সুলতানা, সাহিত্য একাডেমি ও জেলা শিল্পকলা একাডেমির আবৃত্তি প্রশিক্ষক নুসরাত জাহান বুশরা এবং সোনালী সকাল-এর আইরিন মৃধা

হরিপুরে ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশের উদ্যোগে অগ্রণী কৃষক প্রশিক্ষণ ও বীজ বিতরণ

হরিপুরে ওয়ার্ল্ড ভিশনের উদ্যোগে কৃষকদের মাঝে ধানের বীজ বিতরণ
হরিপুরে ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশের উদ্যোগে কৃষকদের মাঝে বীজ বিতরণ ও প্রশিক্ষণের দৃশ্য

হরিপুর (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধি :

ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুর উপজেলায় ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশের উদ্যোগে কৃষকদের দক্ষতা বৃদ্ধি ও উৎপাদন বাড়ানোর লক্ষ্যে অগ্রণী কৃষক প্রশিক্ষণ ও বীজ বিতরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রবিবার (৭ ডিসেম্বর ২০২৫) দুপুর ১২টার সময় উপজেলার ৩নং বকুয়া ইউনিয়নের ফেডারেশনের নির্বাচিত ১২০ জন কৃষকের মাঝে জিংক সমৃদ্ধ উন্নতজাতের ধানের বীজ ব্রি ধান-৭২, ৭৪ ও ১০২ বিতরণ করা হয়। এ সময় কৃষকদের আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি, সুষ্ঠু বীজ ব্যবস্থাপনা, সার ও কীটনাশকের সঠিক ব্যবহার বিষয়ে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হরিপুর উপজেলার কৃষিবিদ মো: মশিউর রহমান (AEO)। তিনি বলেন, জিংক সমৃদ্ধ ধান মানবদেহের পুষ্টি ঘাটতি পূরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এই ধানের চাষ বৃদ্ধি পেলে যেমন উৎপাদন বাড়বে, তেমনি মানুষের পুষ্টি চাহিদাও মিটবে। তিনি আরও বলেন, উন্নত কৃষির মাধ্যমে কৃষকদের আর্থিক স্বচ্ছলতা বাড়াতে ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ ধারাবাহিকভাবে এ ধরনের কার্যক্রম পরিচালনা করে যাচ্ছে।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন আব্দুল্লাহ আল বাকী (আরডিআরএস কৃষি অফিসার), মো: গোলাম কিবরিয়া (আরডিআরএস এগ্রিকালচারাল প্রজেক্ট অফিসার), রবিনাথ রায় (কমিউনিটি মোবিলাইজার), ফেডারেশন চেয়ারম্যান মো: রফিকুল ইসলামসহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

বীজ পেয়ে কৃষকরা সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, এই উদ্যোগ তাদের উৎপাদন বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

ঠাকুরগাঁও হরিপুর এবারো পাথর কালী পুজায় হলোনা মিলন মেলা

ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুরে পাথর কালী পূজা ও সীমান্ত এলাকা
হরিপুরে পাথর কালী পূজা, এবছরও হয়নি সীমান্ত মিলনমেলা

হরিপুর (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধি:

ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুর উপজেলায় ঐতিহ্যবাহী পাথর কালী পূজাকে ঘিরে এবছরও সীমান্ত মিলনমেলা অনুষ্ঠিত হয়নি।

বাংলা বর্ষপঞ্জিকা অনুযায়ী শুক্রবার (৫ ডিসেম্বর) উপজেলার ভাতুরিয়া ইউনিয়নের গোবিন্দপুর কুলিক নদীর তীরে শ্রী শ্রী জামর কালী জিউ (পাথর কালী) পূজা অনুষ্ঠিত হয়। এই পূজাকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরে কুলিক নদীর দুই পাড়ে বাংলাদেশ ও ভারতের সীমান্তবর্তী এলাকায় মিলনমেলায় পরিণত হতো পুরো অঞ্চল।

বাংলাদেশ অংশের কোচল, চাপসার ও গোবিন্দপুর এবং ভারতের নারগাঁও ও মাকরহাট সীমান্ত এলাকার মানুষ মিলিত হতো এই মেলায়। স্বজনদের সঙ্গে দেখা-সাক্ষাৎ, কথোপকথন এবং মিষ্টি ও বিভিন্ন সামগ্রী আদান-প্রদান ছিল এই মিলনমেলার প্রধান আকর্ষণ।

তবে ২০১৯ সালে করোনাকাল শুরু হওয়ার পর থেকে এই সীমান্ত মিলনমেলা বন্ধ রয়েছে। প্রতিবছর ডিসেম্বর মাসে পাথর কালী পূজা অনুষ্ঠিত হলেও এরপর আর কোনো মিলনমেলার আয়োজন করা হয়নি। চলতি বছরেও শুক্রবার পূজার দিনে সীমান্তে কোনো মিলনমেলা হয়নি।

পাথর কালী পূজা কমিটির সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা নগেন কুমার পাল বলেন,
“প্রতি বছরের মতো এবারও আমরা উৎসবমুখর পরিবেশে পূজা উদযাপন করেছি। তবে প্রশাসনের অনুমতি না থাকায় এবারেও সীমান্ত মিলনমেলা আয়োজন করা সম্ভব হয়নি। প্রশাসনের সহযোগিতায় সুষ্ঠুভাবে পূজা সম্পন্ন হয়েছে।”

ঠাকুরগাঁও-২ আসনের মনোনয়ন পেলেন ডা. আব্দুস সালাম

ডা. আব্দুস সালাম ঠাকুরগাঁও-২ সংসদীয় আসনের মনোনয়ন প্রাপ্ত
মনোনয়ন ঘোষণার পর ডা. আব্দুস সালামের সঙ্গে নেতাকর্মীদের মতবিনিময়

হরিপুর (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধি:

ঠাকুরগাঁও-২ সংসদীয় আসনের আওতাভুক্ত বালিয়াডাঙ্গী, হরিপুর ও রাণীশংকৈল উপজেলার ধর্মগড় ও কাশিপুর ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত আসনে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য মনোনয়ন পেয়েছেন বিশিষ্ট চিকিৎসক ও সমাজসেবক ডা. আব্দুস সালাম। দলীয় সূত্রে তার মনোনয়নের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।

মনোনয়ন ঘোষণার খবরে বালিয়াডাঙ্গী, হরিপুর এবং রাণীশংকৈলের ধর্মগড় ও কাশিপুর এলাকায় নেতাকর্মী ও সমর্থকদের মধ্যে আনন্দ ও উৎসাহ দেখা দিয়েছে। শোকরানা দোয়া  মাহফিল, দেশনেত্রীর জন্য দোয়া মাহফিল এতীম বাচ্চাদের মাঝে খাবার বিতরণ ও শুভেচ্ছা জানানো হচ্ছে।

মনোনয়ন পাওয়ার পর ডা. আব্দুস সালাম নেতাকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন এবং সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে নির্বাচনী মাঠে কাজ করার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, “এই এলাকার মানুষের ভালোবাসা ও আস্থাই আমার সবচেয়ে বড় শক্তি। বালিয়াডাঙ্গী, হরিপুর ও আংশিক  রাণীশংকৈর  ধর্মগড়,কাশিপুর প্রতিটি ইউনিয়নের উন্নয়নে আমি কাজ করতে চাই।”

তিনি আরও বলেন, স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা, কৃষি ও যুব কর্মসংস্থানকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হবে। এলাকার অবহেলিত জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে বাস্তবধর্মী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

স্থানীয় নেতারা জানান, একজন সৎ, যোগ্য ও জনবান্ধব ব্যক্তি হিসেবে ডা. আব্দুস সালামের দীর্ঘদিনের সুনাম রয়েছে। তার মনোনয়নে ঠাকুরগাঁও-২ আসনে নির্বাচনী লড়াই আরও প্রাণবন্ত হবে বলে তারা আশাবাদী।

মনোনয়ন ঘোষণার পর থেকেই বালিয়াডাঙ্গী, হরিপুর এবং রানিসংকেলের ধর্মগড় ও কাশিপুর এলাকায় পোস্টার, ব্যানার, লিফলেট বিতরণ ও গণসংযোগের মাধ্যমে প্রচার কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে।

ঠাকুরগাঁওয়ের দশ গ্রামের মানুষের ঝুঁকিপূর্ণ বাঁশের সাঁকোই একমাত্র ভরসা 

ঠাকুরগাঁও হরিপুরে ঝুঁকিপূর্ণ বাঁশের সাঁকো দিয়ে মানুষের পারাপার
ঠাকুরগাঁও হরিপুরে কুলিক নদীর উপর পুরনো ও নড়বড়ে বাঁশের সাঁকো দিয়ে ভোগান্তিতে স্থানীয়রা।

হরিপুর / ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি:

ঠাকুরগাঁও হরিপুর উপজেলা  কুলিক নদীর উপর পুরনো ও নড়বড়ে ৬০ মিটারের বাঁশের সাঁকোটি বেশ ঝুঁকিপূর্ণ। এই সাঁকো দিয়েই প্রতিনিয়ত চলাচল করেন হরিপুর ও রানীশংকৈল উপজেলার ১০ গ্রামের কয়েক হাজার মানুষ। ঝুঁকিপূর্ণ এ সাঁকো দিয়ে ভ্যান, সাইকেল, মোটরসাইকেলসহ সেতু পারাপার হতে প্রায়ই দুর্ঘটনার শিকার হন স্থানীয়রা।

জানা যায়, হরিপুর উপজেলার ৬নং ভাতুরিয়া ইউনিয়নের ভুতডাঙ্গী, তাজিগাঁও, গোবিন্দপুর, ঝাঁরবাড়ি ও রানীশংকৈল উপজেলার পার্তিপুর, দেহনাগর ও কোচল গ্রামের লোকজন প্রায় ২০ বছর ধরে ওই স্থানে বাঁশের সাঁকো দিয়ে চলাচল করছে। স্কুল-কলেজ, হাট-বাজার, ব্যবসা-বাণিজ্যসহ নানা কাজে গ্রামগুলোর কয়েক হাজার মানুষ এ সাঁকো ব্যবহার করেন।

হরিপুর উপজেলার ৬ নং ভাতুরিয়া ইউনিয়নের ভুতডাঙ্গী গ্রামে গিয়ে দেখা যায়, ব্রিজ না থাকায় প্রতিদিনই দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন সেতুর দুইপাশে বসবাসরত সাধারণ মানুষ। কৃষিপণ্য পরিবহন, রোগী আনা নেওয়া, স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থীদের যাওয়া আসায় ভোগান্তি চরমে। প্রতিবছর বর্ষায় ভেঙে যাওয়া এ সাঁকোর পরিবর্তে বারবার  স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দেয়া নতুন সেতুর আশ্বাসেও মেলেনি সুফল বলে অভিযোগ গ্রামবাসীর।স্থানীয়রা জানান, বর্ষা মৌসুমে সাঁকোটি পানির স্রোতে ভেঙে যায়। তখন মানুষের দুর্ভোগের শেষ থাকে না। সাঁকো দিয়ে চলাচলে ভয় পায় শিক্ষার্থীরা। বর্ষায় অনেক পথ ঘুরে যেতে হয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে। কৃষক রমজান, মোকবুল, সোহেল ও আমিরুল বলেন, কুলিক নদীর দু’পারে তাদের কৃষিজমি রয়েছে।

জমি চাষাবাদের জন্য খরা মৌসুমে বাঁশের সাঁকো দিয়ে চলাচল করি। কিন্ত বর্ষায় পড়তে হয় মহাবিপাকে। এসময় সাঁকোর পরিবর্তে একটা ব্রিজের দাবি করেন তারা। ইউনিয়ন চেয়ারম্যান শাজাহান সরকার বলেন, এই ঘাটে একটি ব্রিজের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত হলো WordPress Campus Connect

WordPress Campus Connect bangladesh

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার প্রযুক্তি শিক্ষায় নতুন মাইলফলক স্থাপন করে প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত হলো “WordPress Campus Connect – University of Brahmanbaria”। আন্তর্জাতিক ওপেন-সোর্স প্ল্যাটফর্ম WordPress-এর এই অফিসিয়াল ইভেন্টটি শিক্ষার্থীদের ডিজিটাল দক্ষতা উন্নয়নে নতুন সম্ভাবনা তৈরি করেছে।

ইভেন্টের নেতৃত্ব দেন শিপন কর্মকার, Lead Organizer – WordPress Campus Connect, University of Brahmanbaria। তাঁর অভিজ্ঞতা ও নির্দেশনায় পুরো অনুষ্ঠানটি সুশৃঙ্খল, আকর্ষণীয় এবং শিক্ষার্থীদের জন্য অত্যন্ত ফলপ্রসূ হয়ে ওঠে। অংশগ্রহণকারীরা WordPress ব্যবহার, ওয়েবসাইট তৈরি, ওপেন-সোর্স অবদান এবং প্রযুক্তিভিত্তিক ক্যারিয়ার গঠনের বিভিন্ন দিক সম্পর্কে হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ পান। দিনশেষে অংশগ্রহণকারীদের হাতে WordPress-এর অফিসিয়াল সার্টিফিকেট প্রদান করা হয়।

অনুষ্ঠানে বক্তারা WordPress এবং প্রযুক্তি জগতের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা করেন। উদ্বোধনী সেশনে শিপন কর্মকার Campus Connect-এর উদ্দেশ্য, ওপেন-সোর্স প্রযুক্তির গুরুত্ব এবং শিক্ষার্থীরা কীভাবে WordPress শিখে দক্ষতা বাড়াতে পারে—তা তুলে ধরেন। ইএইচ জুয়েল WordPress একটি ওপেন-সোর্স প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কীভাবে কাজ করে এবং বিশ্বব্যাপী এর প্রভাব কতটা বিস্তৃত—তা ব্যাখ্যা করেন। পরবর্তী হ্যান্ডস-অন সেশনে তানভীরুল হক শিক্ষার্থীদের দেখান কীভাবে WordPress ব্যবহার করে নিজের প্রথম ওয়েবসাইট তৈরি করা যায়। WordPress-এর জন্ম, কমিউনিটির বৈশ্বিক কার্যক্রম এবং অবদান রাখার অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন মঈবুল হক। শেষ সেশনে শামীম মিয়া WordPress দিয়ে ক্যারিয়ার গড়ার পথ, দক্ষতা উন্নয়ন এবং ফ্রিল্যান্সিং সুযোগ সম্পর্কে বাস্তবমুখী দিকনির্দেশনা দেন।

ইভেন্টে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীরা জানান, এই আয়োজন তাদের শেখার পথে নতুন আত্মবিশ্বাস এনে দিয়েছে। হাতে-কলমে ওয়েবসাইট তৈরি করা এবং বিশেষজ্ঞদের সরাসরি পরামর্শ পাওয়ার কারণে তারা ভবিষ্যতের শিক্ষাজীবন ও কর্মজীবনে এগিয়ে যেতে অনুপ্রাণিত হয়েছেন। অনেকের মতে, ফ্রিল্যান্সিং, রিমোট জব এবং ওপেন-সোর্স কমিউনিটিতে কাজ করার সুযোগ নিয়ে তারা এত স্পষ্ট ধারণা আগে পাননি। WordPress-এর অফিসিয়াল সার্টিফিকেট তাদের সিভি ও পোর্টফোলিওতে মূল্য সংযোজন করবে বলেও তারা আশা প্রকাশ করেন।

আয়োজনটি সফলভাবে সম্পন্ন করতে স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্যরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। রেজিস্ট্রেশন, টেকনিক্যাল সাপোর্ট, অতিথি সমন্বয় এবং স্টেজ ব্যবস্থাপনায় সহযোগিতা করেন Meheraj Khan, Ashraful Amin, Mohammad Salman, Azim Jamshed, Mohammed Seratul Mustakim, Mohammad Musarraf, Nuri, এবং Riam।

“WordPress Campus Connect – University of Brahmanbaria” জেলার শিক্ষার্থীদের ডিজিটাল জগতে এগিয়ে যাওয়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি তৈরি করেছে। আয়োজকদের মতে, ভবিষ্যতে আরও বড় পরিসরে এমন আয়োজনের মাধ্যমে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার তরুণদের প্রযুক্তিশিক্ষায় সমৃদ্ধ করতে তাদের উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে।

হরিপুরে জাতীয় পাণিসম্পদ সপ্তাহ ও প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনী  উদ্ধোধন

হরিপুরে জাতীয় প্রাণিসম্পদ সপ্তাহ ও প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনী উদ্বোধন অনুষ্ঠান
হরিপুরে জাতীয় প্রাণিসম্পদ সপ্তাহ ও প্রদর্শনী উদ্বোধন অনুষ্ঠানে অতিথিবৃন্দ

হরিপুর/ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধিঃ

দেশী জাত, আধুনিক প্রযুক্তিঃ প্রাণিসম্পদে হবে উন্নতি- আমিষেই মুক্তি এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুরে জাতীয় প্রাণিসম্পদ সপ্তাহ ও প্রাণি সম্পদ প্রদর্শনীর দিন ব্যাপি মেলার শুভ উদ্ধোধন করা হয়েছে। গতকাল বুধবার হরিপুর উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর এবং ভেটেনারি হাসপাতালের আয়োজনে সকাল ১১ টায় উপজেলা পরিষদ চত্বর থেকে এক বর্ণাঢ্য র‍্যালী বের করা হয়। র‍্যালী শেষে প্রাণিসম্পদ চত্বরে এর শুভ উদ্ধোধন করেন হরিপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বিকাশ চন্দ্র বর্মন। মেলায়  পরিদর্শন শেষে প্রাণিসম্পদ অফিসার সোহাগ রানার সভাপতিত্বে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে বক্তব্য রাখেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বিকাশ চন্দ্র বর্মন, কৃষি অফিসার রুবেল হুসেন, মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার রাইহানুল ইসলাম মিঞা, হরিপুর থানার ওসি তদন্ত শরিফ প্রমুখ। এ সময় উপস্থিত ছিলেন প্রাণিসম্পদ দপ্তরের সকল কর্মকর্তা, কর্মচারী।

- Advertisement -

জনপ্রিয় সংবাদ

গরম খবর